viral video

২৪ ঘণ্টার বেশি বোরওয়েলের ৫০ ফুট গভীরে আটকে তিন বছরের খুদে! সুড়ঙ্গ কেটে উদ্ধারের চেষ্টা, ভিডিয়ো ভাইরাল

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উজ্জৈন জেলার বদনগর তহসিলের ঝালারিয়া গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে। ভগীরথ দেওয়াসি নামের শিশুটি ২০০ ফুট গভীর বোরওয়েলের কাছে খেলছিল। কৌতূহলবশত একটি পাথর দিয়ে সেটির ঢাকনা খুলে ফেলে। পড়ে যায় শিশুটি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১১ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:১৯
Share:

ছবি: সংগৃহীত।

২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ২০০ ফুট গভীর বোরওয়েলে (চাষের জন্য খোঁড়া কুয়ো) আটকে পড়ে একরত্তি। মধ্যপ্রদেশের উজ্জৈনের ঝালারিয়া গ্রামে বৃহস্পতিবার সন্ধেবেলা বোরওয়েলে পড়ে যায় তিন বছরের শিশুটি। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে ভগীরথ দেওয়াসি নামের শিশুটি বোরওয়েলের কাছে খেলছিল। খবর পেয়ে উদ্ধার অভিযানে নামে স্থানীয় প্রশাসন। তিন বারই শিশুটিকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়েছেন উদ্ধারকারীরা। উদ্ধারের একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

সংবাদমাধ্যম থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উজ্জৈন জেলার বদনগর তহসিলের ঝালারিয়া গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে। ভগীরথ দেওয়াসি নামের শিশুটি ২০০ ফুট গভীর বোরওয়েলের কাছে খেলছিল। কৌতূহলবশত একটি পাথর দিয়ে সেটির ঢাকনা খুলে ফেলে। তার মা, জত্তু বাঈ, শিশুটিকে গর্তে পড়ে যেতে দেখে চিৎকার করতে শুরু করেন। গোটা গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জেলা কালেক্টর রোশন কুমার সিংহ এবং পুলিশ সুপার প্রদীপ শর্মা-সহ স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেই উদ্ধার অভিযান শুরু করে দেন। উদ্ধার অভিযানের সাক্ষী থাকতে গোটা এলাকায় ভিড় জমিয়েছেন স্থানীয়েরাও।

ভোপাল, ইনদওর ও উজ্জৈন থেকে জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ) এবং রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা তহবিল (এসডিআরএফ)-এর কর্মীদেরও এই অভিযানে শামিল করা হয়। শিশুটি বোরওয়েলের ৫০-৬০ ফুট গভীরে আটকে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীরা শিশুটির জন্য পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল বজায় রাখতে পাইপের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহ করে চলেছেন। তাঁরা দু’বার শিশুটির হাতে দড়ির আংটি বেঁধে তাকে বোরওয়েল থেকে টেনে বার করার চেষ্টা করেছিলেন। সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। উদ্ধারকার্যের ভিডিয়োটি ‘ভারত২৪বাই৭’ নামের একটি সংবাদমাধ্যমের এক্স হ্যান্ডল থেকে পোস্ট করা হয়েছে।

Advertisement

শিশুটিকে বিকল্প কৌশলে বার করে আনার চেষ্টা করছে প্রশাসন। শিশুটির কাছে পৌঁছোনোর জন্য একটি সমান্তরাল সুড়ঙ্গ খোঁড়া শুরু হয়েছে। খননের জন্য পাঁচটি ভারী যন্ত্র আনা হয়েছে। কুয়োর গভীরে পাথরের স্তর থাকায় খোঁড়ার কাজ ব্যাহত হচ্ছে। পাথর খুঁড়তে একটি হ্যামার মেশিন কাজে লাগানো হয়েছে। উদ্ধারকারী দলের আধিকারিকেরা জানিয়েছেন শিশুটির শরীরে এখনও প্রাণের স্পন্দন লক্ষ করেছেন তাঁরা।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement