viral video

নারকেল পাড়ার লোক নেই, অ্যাপেই মিলবে সমাধান! বুক করলেই হাজির হবে কর্মী, ‘কর্পোরেট রূপান্তর’, নেটপাড়ায় বললেন শিল্পপতি

নারকেল পাড়ার লোক ডাকার জন্য কাউকে অনুরোধ করার কোনও প্রয়োজন নেই। শুধু অ্যাপে গিয়ে বুক করলেই হয়। মুহূর্তের মধ্যে এক জন প্রশিক্ষিত পেশাদার এসে হাজির হন। একটি পোস্টে জানিয়েছেন মাহিন্দ্রা গ্রুপের চেয়ারম্যান আনন্দ মাহিন্দ্রা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ১১:১৬
Share:

ছবি: সংগৃহীত।

গাছে নারকেল ফলে আছে। সেগুলি পেড়ে আনার লোকের অভাব। সেই সমস্যা আর বিশেষ নেই। কারণ নারকেল পাড়ার জন্য লোক খুঁজতে যেতে হয় না। কেরলের মতো অঞ্চলে যেখানে প্রচুর নারকেল গাছ রয়েছে সেখানে নারকেল পেড়ে দেওয়ার দক্ষ লোকের অভাব দেখা দিত। বিশেষ করে স্থানীয় পাড়াগুলিতে। সেই সমস্যা মিটে গিয়েছে। কারণ ক্যাবের মতোই এখন অ্যাপের মাধ্যমে নারকেল পাড়ার কাজও বুক করা হচ্ছে।

Advertisement

পণ্য হোক বা খাবার বা যানবাহন। অ্যাপের মাধ্যমে বুক করলেই হল। ভারতে পরিষেবা সংক্রান্ত ব্যবসা শুধু বড় আইটি অফিসগুলিতেই সীমাবদ্ধ নেই। বহু দৈনন্দিন পরিষেবা অ্যাপের মাধ্যমে বুক করা সম্ভব বাড়ি বসেই। তেমনই নারকেল গাছে চড়ার জন্য কর্মীর প্রয়োজন পড়লে অ্যাপের শরণাপন্ন হলেই হল। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নিয়ে হাজির হবে কর্মী। মাহিন্দ্রা গ্রুপের চেয়ারম্যান আনন্দ মাহিন্দ্রা ২ এপ্রিল এক্সে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। যদিও এই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। পোস্টটি এখন পর্যন্ত ২ লক্ষ ৩৪ হাজারেরও বেশি বার দেখা হয়েছে এবং ৪৪ হাজার লাইক পেয়েছে।

পোস্টে শিল্পপতি লিখেছেন, কেরলে নারকেল পাড়ার লোক ডাকার জন্য কাউকে অনুরোধ করার কোনও প্রয়োজন নেই। শুধু অ্যাপে গিয়ে বুক করলেই হয়। মুহূর্তের মধ্যে এক জন প্রশিক্ষিত পেশাদার এসে হাজির হন। ইউনিফর্ম পরা এবং তাঁর সঙ্গে থাকে একটি সাইকেল, যন্ত্রপাতি। পুরোদস্তুর কর্পোরেট পরিষেবার ছোঁয়া। তিনি লিখেছেন, দেশে এটি সত্যিকারের স্থানীয় ও ঐতিহ্যবাহী পরিষেবার ডিজিটাল রূপান্তর।

Advertisement

এর পর তিনি জানিয়েছেন, যে তরুণ ৫০ ফুট উঁচু গাছটিতে উঠেছিলেন, তিনি কেরলের স্থানীয় বাসিন্দা নন। ছত্তীসগঢ়ের! স্মৃতিচারণ করে শিল্পপতি লিখেছেন, ‘‘যখন আমি ইস্পাতের ব্যবসা শুরু করি, তখন বিহার ও মধ্যপ্রদেশের লোকেরা আমাদের কারখানা ও চুল্লিতে কাজ করার জন্য বাড়ি ছেড়ে আসত। কিন্তু আজ পরিবেশটা বদলে গিয়েছে।’’ এর আগে উত্তরপ্রদেশ, বিহার, মধ্যপ্রদেশ এবং ছত্তীসগঢ়ের তরুণেরা ভারী শিল্পে কাজ করার জন্য জীবনের ঝুঁকি নিতেন। তরুণ প্রজন্ম প্রযুক্তিনির্ভর পরিষেবা অর্থনীতির এক অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠছেন বলে মনে করছেন আনন্দ। তাঁর এই পোস্টে শিল্পজগতের বেশ কয়েক জন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement