কে ছিলেন বাইকে? ছবি: ইনস্টাগ্রাম।
বেঙ্গালুরুর ব্যস্ত রাস্তায় বাইক চালাচ্ছিলেন এক চালক। তাঁকে আসতে দেখে হাত দেখিয়ে গাড়ি থামাতে বলেন ট্রাফিকে কর্মরত পুলিশ। তবে চালক হেলমেটের ঢাকনা তুলতেই অবাক হয়ে যান ওই পুলিশকর্মী। চলে যেতে বলেন তাঁকে। কে ছিলেন হেলমেটের পিছনে? সেই ঘটনার একটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। হইচইও ফেলেছে। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
যানজটের জন্য কুখ্যাতি কুড়িয়েছে বেঙ্গালুরু। নতুন একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, ভারতের আইটি হাব বিশ্বের সবচেয়ে যানজটপূর্ণ শহরগুলির মধ্যে অন্যতম। সেই শহরেরই একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ব্যস্ত রাস্তা দিয়ে বাইক চালিয়ে যাচ্ছেন এক চালক। তাঁর মাথা হেলমেটে ঢাকা। পরনে জ্যাকেট। যানজটের কারণে আস্তে আস্তে বাইক চালাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁকে সামনে থেকে আসতে দেখে হাত দেখিয়ে থামতে বলেন ট্রাফিক পুলিশের এক কর্মী। চালকও সঙ্গে সঙ্গে বাইক থামিয়ে দেন। এর পর তাঁকে হেলমেটের কাচের ঢাকনা তুলতে বলেন পুলিশকর্মী। আরোহীও সঙ্গে সঙ্গে হেলমেটের ঢাকনা তোলেন। দেখা যায়, বাইকটি যিনি চালাচ্ছিলেন, তিনি এক জন তরুণী। তাঁকে দেখে প্রথমে খানিকটা অবাক হয়ে যান পুলিশকর্মী। এর পর তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘‘ও, আপনি এক জন মহিলা!’’ এর পর ওই তরুণীকে বাইক নিয়ে চলে যাওয়ার ইঙ্গিত দেন তিনি। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।
তরুণী ওই বাইকারের নাম ঋতু চতুর্বেদী। বাইক চড়ে ভিডিয়ো বানান তিনি। ঋতু নিজেই তাঁর ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল থেকে বেঙ্গালুরুর ওই ঘটনার ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন। সেই পোস্টে ঋতু উল্লেখ করেছেন, যখন কেউ মহিলা আরোহীদের সমর্থন করেন, তখন তিনি খুশি হয়ে যান। ঋতুর সেই ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখে নেটাগরিকদের অনেকে যেমন মজার মজার মন্তব্য করেছেন, তেমনই বিদ্রুপ করতেও ছাড়েননি নেটাগরিকদের একাংশ। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, ‘‘এটা সমর্থন নয়। আইন অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টার পরে কোনও মহিলা আরোহীকে থামাতে পারে না পুলিশ।’’ অন্য এক জন আবার লিখেছেন, “একে সমর্থন বলে না, পক্ষপাতিত্ব বলে।’’