Sujit Bose Arrested

বিচারকের কাছে প্রথম শ্রেণির বন্দির মর্যাদা চাইলেন সুজিত বসু! লিখিত ভাবে বিরোধিতা করা হল ইডির তরফে

বৃহস্পতিবার আদালতে সুজিতের আইনজীবী জানান, সিবিআইয়ের চার্জশিটে তাঁর মক্কেলের নাম নেই। টাকা লেনদেনেরও কোনও প্রসঙ্গ নেই। অভিযুক্তদের বয়ানে সুজিতের ভূমিকার প্রসঙ্গ নেই।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬ ১৭:১০
Share:

সুজিত বসু। —ফাইল চিত্র।

পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতিতে বিচারবিভাগীয় হেফজতে থাকা প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু বৃহস্পতিবার আদালতে ভার্চুয়াল শুনানিতে হাজিরা দিলেন। শান্তনু সিংহ রায়, জয় কামদারের মতোই সুজিতের আইনজীবীর তরফেও তাঁর মক্কেলের জন‍্য প্রথম শ্রেণির বন্দির (গ্রেড ওয়ান প্রিজ়নার) মর্যাদার আবেদন জানানো হয় বিচারকের কাছে। কিন্তু এ বিষয়ে লিখত ভাবে আপত্তি জানায় ইডি।

Advertisement

ইডির তরফ থেকে ডেপুটি সলিসিটর জেনারেল ধীরাজ ত্রিবেদী বৃহস্পতিবার বিশেষ আদালতে শুনানিপর্বে বলেন, ‘‘ওঁরা এই মামলায় হাইকোর্টে গিয়েছেন। নিতাই দত্তকে (সুজিত-ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত দক্ষিণ দমদম পুরসভার উপপুরপ্রধান) জিজ্ঞাসাবাদেরপ জন্য সমন পাঠানো হয়েছিল হয়েছিল। উনি জানিয়েছিলেন হায়দরাবাদে চিকিৎসা চলছে। এই মাসে হাজির হবেন বলে জানিয়েছেন। কিন্তু এখনও হননি।’’ তাঁর দাবি, এই মামলায় তল্লাশি করে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থীর নামের তালিকা পাওয়া গিয়েছে। বাজেয়াপ্ত হয়েছে একাধিক ডিজিটাল ডিভাইস।

এর পরেই ইডির আইনজীবীর মন্তব্য, ‘‘সদ‍্য কিছু তথ‍্য আমাদের হাতে এসেছ। সেটা নিয়ে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছি। এই নিয়ে এক ব‍্যক্তিকে বার বার তলব করা হলেও কারও প্রভাবে তিনি আসছেন না। সুজিত প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।’’ অন‍্য দিকে, সুজিতের আইনজীবী জানান, সিবিআইয়ের চার্জশিটে তাঁর মক্কেলের নাম নেই। টাকা লেনদেনেরও কোনও প্রসঙ্গ নেই। অভিযুক্তদের বয়ানেও তাঁর মক্কেলের ভূমিকা আসেনি।

Advertisement

পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বেআইনি ভাবে চাকরিপ্রাপকদের নাম সুপারিশ করার অভিযোগ রয়েছে সুজিতের বিরুদ্ধে। ইডি সূত্রে খবর, সেই তালিকায় কমবেশি ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম রয়েছে। দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গিয়েছে বলে মনে করছে ইডি। তাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্যও। গ্রেফতারির আগে ইডি সুজিতের বাড়ি এবং অফিসে হানা দিয়েছিল। পাশাপাশিই, তাঁদের যে ধাবা রয়েছে, তাতেও তল্লাশি চালান কেন্দ্রীয় আধিকারিকেরা। ১১ মে সুজিতকে গ্রেফতার করা হয়। প্রসঙ্গত, এ বারের বিধানসভা ভোটে সুজিত তাঁর পুরনো কেন্দ্র বিধাননগর থেকে তৃণমূলের টিকিটে লড়েছিলেন। কিন্তু বিজেপি প্রার্থী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের কাছে ৩৭ হাজারের বেশি ভোটে পরাস্ত হন তিনি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement