Saline Controversy

স্যালাইন-কাণ্ডে সাসপেন্ড হয়েছিলেন, অবসর নিলেন মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের প্রসূতি বিভাগের সেই প্রধান

গত বছরের ৮ জানুয়ারি মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে সন্তানের জন্ম দেওয়ার পরে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন পাঁচ প্রসূতি। অভিযোগ, রিঙ্গার্স ল্যাকটেট স্যালাইন দেওয়ার পরেই অসুস্থ হয়েছিলেন তাঁরা। সেই ঘটনায় সাসপেন্ড (নিলম্বিত) হয়েছিলেন প্রসূতি বিভাগের প্রধান মহম্মদ আলাউদ্দিন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ ২২:১৩
Share:

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

স্যালাইন-কাণ্ডে সাসপেন্ড হওয়া মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগের প্রধান মহম্মদ আলাউদ্দিন অবসর নিলেন। শনিবারই ছিল তাঁর চাকরি জীবনের শেষ দিন। সকালে মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ মৌসুমি নন্দীর কাছে সব কাগজপত্র জমা দেন তিনি।

Advertisement

গত বছরের ৮ জানুয়ারি মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে সন্তানের জন্ম দেওয়ার পরে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন পাঁচ প্রসূতি। অভিযোগ, রিঙ্গার্স ল্যাকটেট স্যালাইন দেওয়ার পরেই অসুস্থ হয়েছিলেন তাঁরা। পরে এক প্রসূতির মৃত্যু হতেই শোরগোল পড়ে যায় রাজ্য জুড়ে। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের ১৩ জন চিকিৎসককে সাসপেন্ড (নিলম্বিত) করার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই তালিকায় ছিলেন আলাউদ্দিনও। ছিলেন হাসপাতালের সুপার জয়ন্ত রাউতও। শনিবার আলাউদ্দিনের বিদায়ী সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তিনি।

মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। প্রসূতি বিভাগের প্রধান হওয়ায় স্যালাইনের ঘটনায় তদন্ত কমিটির আতশকাচের নীচে ছিলেন আলাউদ্দিন। স্বাস্থ্য দফতরের ‘কোপে’ পড়েন তিনি। সাসপেন্ড থাকাকালীনই অবসর নিলেন। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের এক আধিকারিক বলেন, ‘‘নিয়ম মেনেই এক জন চিকিৎসক অবসর নিলেন। তিনি ৩৪ বছর কাজ করেছেন। নিয়ম মোতাবেক তাঁর কাগজপত্র স্বাস্থ্য ভবনে পাঠানো হবে।’’ তবে তার পরেও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে, অবসরকালীন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না তো আলাউদ্দিন? নিজের অবসর নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের সাসপেন্ড হওয়া প্রসূতি বিভাগের প্রধান।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement