Bangladesh General Election

কত শতাংশ ভোট পড়লে ফের বাংলাদেশে ক্ষমতায় বিএনপি? জামাতের সুবিধা কত ভোটদানে? পূর্বাভাস দিল জনমত সমীক্ষা

বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন সম্পর্কে প্রকাশিত একটি জনমত সমীক্ষা রিপোর্টে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ভোটদানের হারের উপর জয়-পরাজয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:১৪
Share:

(বাঁ দিকে) তারেক রহমান এবং শফিকুর রহমান (ডান দিকে)। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন দল কত আসনে জিততে পারে, সে বিষয়ে প্রকাশিত হল আরও একটি জনমত সমীক্ষার রিপোর্ট। বুধবার প্রকাশিত ওই জনমত সমীক্ষা রিপোর্টে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ভোটদানের হারের উপর জয়-পরাজয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ (বিআইডিডি) প্রকাশিত ওই জনমত সমীক্ষা রিপোর্টে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬৫ থেকে ৬৮ শতাংশ ভোট পড়লে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপির জোট একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে পারে। আর ভোটদানের হার যদি ৫৩ থেকে ৫৮ শতাংশ হয় শফিকুর রহমানের জামায়াতে ইসলামীর (জামাত নামেই যা পরিচিত) নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ‘নির্বাচনী ঐক্যে’র সরকার গঠনের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

কেন এমন ভবিষ্যদ্বাণী? বিআইডিডি-র জনমত সমীক্ষকদের দাবি, কট্টর ইসলামপন্থী দল জামাতের ভোটারেরা তুলনামূলক ভাবে ‘সংগঠিত’ এবং আদর্শগত আনুগত্যে অবিচল। অর্থাৎ, ভোটদানের হার কম হলে তা হলে জামাতের সংগঠিত সমর্থনের সূচক। অন্য দিকে, সদ্যপ্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দল বিএনপির (বর্তমানে যে দলের নেতৃত্বে খালেদা-পুত্র তারেক) ভোটারেরা তুলনায় অনেকটাই অসংগঠিত। ফলে বেশি ভোটদানের ইঙ্গিত হল, সাধারণ ভোটারদের বুথমুখী হওয়ার প্রবণতাবৃদ্ধি, যা আখেরে বিএনপির পক্ষে লাভজনক হওয়ার সম্ভাবনা। প্রসঙ্গত, এর আগে ২০০১ সালের নির্বাচনে শেষবার জিতেছিল বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন খালেদা। সেই ভোটে জামাত পেয়েছিল ১৭টি আসন।

Advertisement

বিআইডিডি-র ওই জনমত সমীক্ষায় অবশ্য প্রাথমিক ভাবে বিএনপি-কেই এগিয়ে রাখা হয়েছে। তারা জানাচ্ছে, এবারের নির্বাচনে গড় ভোট পড়তে পারে ৫৮ থেকে ৬৭ শতাংশ। ভোটের সম্ভাব্য ফলাফলে বলা হয়েছে, বিএনপি জোট ১৪৭ থেকে ১৮৮টি আসন পেতে পারে। আর জামাত-জোট (১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্য) পেতে পারে ৭৩ থেকে ১১০টি আসন। অন্য দলগুলির মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১ থেকে ৩টি, অন্যান্য দল ৪ থেকে ৬টি এবং নির্দল প্রার্থীরা ২১ থেকে ২৮টি এবং আসনে জয়ী হতে পারে বলে রিপোর্টে দাবি। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯ নির্বাচন হবে আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি)। শেরপুর-৩ আসনে এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট স্থগিত রয়েছে। ওই দিন একই সঙ্গে হবে জুলাই সনদ নিয়ে গণভোটও। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টে পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হবে। তার পরেই শুরু হবে গণনা।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement