Ordinance in Bangladesh

ইউনূস সরকারের আনা ২০টি অধ্যাদেশ বাতিল করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক! বিরোধিতায় সরব জামায়াত

ইউনূস জমানার ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে চারটি অধ্যাদেশ অবিলম্বে বাতিল করতে জাতীয় সংসদে বিল আনার জন্য শুক্রবার সুপারিশ করেছে বিশেষ সংসদীয় কমিটি। বাকি ১৬টিকে আইনে পরিণত না করার সুপারিশ করেছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ১০:৪৩
Share:

মুহাম্মদ ইউনূস এবং তারেক রহমান। —ফাইল চিত্র।

মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের জমানায় চালু করা ২০টি অধ্যাদেশ বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার! তার মধ্যে জাতীয় সংসদের চলতি অধিবেশনেই চারটি অধ্যাদেশ বাতিলের প্রস্তাব আনা হবে বলে সে দেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো জানিয়েছে। তারেকের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের এই পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামি।

Advertisement

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগ এবং পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার জন্য অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। এই দু’টি-সহ মোট চারটি অধ্যাদেশ অবিলম্বে বাতিল করতে জাতীয় সংসদে বিল আনার জন্য শুক্রবার সুপারিশ করেছে বিশেষ সংসদীয় কমিটি (ওই কমিটিতে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ)। পাশাপাশি গণভোট অধ্যাদেশ, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ক্ষমতা বাড়ানোর অধ্যাদেশ, অপহরণ প্রতিরোধী অধ্যাদেশ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ-সহ ১৬টি অধ্যাদেশ এখনই বিল আকারে উত্থাপন না করার সুপারিশ করা হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের জমানার ওই অধ্যাদেশগুলির ক্ষেত্রে পরবর্তী সময়ে যাচাই–বাছাই করে বিল পেশের সুপারিশ করা হয়েছে কমিটির তরফে। এই সুপারিশ গৃহীত হলে ওই অধ্যাদেশগুলি ১০ এপ্রিলের পর কার্যকারিতা হারাবে। প্রসঙ্গত, ইউনূসের জমানায় মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি হয়েছিল। বাকি ১১৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে জুলাই অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ-সহ ৯৮টি অনুমোদনের জন্য হুবহু খসড়া মেনে বিল আকারে জাতীয় সংসদে পেশ করার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। আর সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ-সহ ১৫টি সংশোধিত আকারে বিল পেশের সুপারিশ করেছে বিশেষ কমিটি। তারেক সরকারের ওই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বিরোধী দল জামায়াত জানিয়েছে, সংবিধানের বিশেষ কিছু ধারার দোহাই দিয়ে সংস্কার কর্মসূচি বাতিলের চেষ্টা করা হলে তা মানা হবে না।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement