Iran Attacked UAE

খার্গ দ্বীপে মার্কিন হানার ‘বদলা’! হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তৈলভান্ডারে হামলা ইরানের

প্রত্যক্ষদর্শীরা দাবি করেছেন, একের পর এক ড্রোন বন্দরশহরের উপরে বিস্ফোরণ ঘটায়। তৈলভান্ডার থেকে আগুন এবং ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা গিয়েছে। তবে আমিরশাহি প্রশাসনের তরফে হামলার কথা স্বীকার করা হয়নি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৪ মার্চ ২০২৬ ১৯:১০
Share:

সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বন্দরশহরের তৈলভান্ডারে ড্রোন হামলা ইরানের। ছবি: এএফপি।

ইরানের গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ খার্গেতে হামলা চালানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বন্দর শহরে পাল্টা হামলা চালাল ইরান। সূত্রের খবর, উপকূলীয় শহর ফুজেইরার তৈলভান্ডার লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে তারা। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেল রফতানিতে এই বন্দরশহর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ বার সেই শহরেও বন্দর এবং তৈলভান্ডার লক্ষ্য করে ইরান হামলা চালিয়েছে বলে দাবি।

Advertisement

প্রত্যক্ষদর্শীরা দাবি করেছেন, একের পর এক ড্রোন বন্দরশহরের উপরে বিস্ফোরণ ঘটায়। তৈলভান্ডার থেকে আগুন এবং ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা গিয়েছে। তবে আমিরশাহি প্রশাসনের তরফে হামলার কথা স্বীকার করা হয়নি। শুধু দাবি করা হয়েছে, একটি দুর্ঘটনার কারণে তৈলভান্ডারে আগুন লেগেছে। তবে কোন তৈলভান্ডারে আগুন লেগেছে তা স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি। আমিরশাহির প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে শনিবার দাবি করা হয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা খুবই দক্ষতার সঙ্গে ইরানের হামলার মোকাবিলা করছে। ধ্বংস করছে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র।

প্রসঙ্গত, শনিবার সকালে ইরানের খার্গ দ্বীপ লক্ষ্য করে একের পর এক বোমাবর্ষণ করে আমেরিকা। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, খার্গে দ্বীপের ৯০টি জায়গাকে নিশানা বানানো হয়েছে। ভিডিয়ো ফুটেজও প্রকাশ করা হয় আমেরিকার তরফে (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)। শনিবার সকালে ট্রুথ সোশ্যালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, খার্গ দ্বীপে ইরানের সামরিক ঘাঁটিগুলিকে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, ওই হামলাকে পশ্চিম এশিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে জোরালো হামলা বলে দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। প্রসঙ্গত, ইরানের উপকূল থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে রয়েছে এই দ্বীপটি। হরমুজ় প্রণালী থেকে ৪৮৩ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। ইরানের ৯০ শতাংশ তেল রফতানি হয় এই খার্গ দ্বীপ থেকে। ফলে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেল পৌঁছোতে ইরানের এই দ্বীপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।

Advertisement

খার্গ দ্বীপে হামলার পর পরই ইরান হুঁশিয়ারি দেয়, আমেরিকাকে তেল দিয়ে সাহায্য করলে পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির তৈলভান্ডারেও হামলা চালানো হবে। মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হবে সেগুলি। সেই হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে হামলা চালাল ইরান।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement