দুর্যোগের মধ্যেই উত্তরবঙ্গের টিকিট কাটা, এ দিকে সফর বাতিলের ইচ্ছে নেই? সঙ্গে রাখুন এই জিনিসগুলি
পুজোর আনন্দের শেষটা বিষাদে ভরা। পুজোর সময় উত্তরবঙ্গে পর্যটকদের ঢল নামে, আর সেই সময়ই, দশমীর পরই বাংলার শৈল শহর ভয়াবহ প্রকৃতির তাণ্ডবের সাক্ষী থাকল।
পুজোর আনন্দের শেষটা বিষাদে ভরা। পুজোর সময় উত্তরবঙ্গে পর্যটকদের ঢল নামে, আর সেই সময়ই, দশমীর পরই বাংলার শৈল শহর ভয়াবহ প্রকৃতির তাণ্ডবের সাক্ষী থাকল।
বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, অনেকে জলে ভেসে গিয়েছেন, গবাদি পশু ভেসে গিয়েছে জলে, মারাও গিয়েছে। জঙ্গল প্লাবিত হয়েছে। সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও বিপুল। সমতলের সঙ্গে পাহাড়ের যোগসূত্রকারী একাধিক রাস্তাও ধসের কারণে ভেঙে গিয়েছে।
এর মাঝে যাঁরা এখনও পাহাড়ে আটকে আছেন, ফেরার পথ ধরবেন, বা যাঁদের এই সময় উত্তরবঙ্গে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, টিকিট কাটা অথচ পরিকল্পনা বাতিল করতে ইচ্ছে করছে না, তাঁরা এই দুর্যোগের সময় নিজেদের নিরাপদ রাখতে সঙ্গে কয়েকটি জিনিস অবশ্যই রাখুন।
পরিচয়পত্র এবং টিকিট হাত ব্যাগে রাখার চেষ্টা করুন যাতে সহজেই সেটা বের করতে পারেন প্রয়োজনে।
ব্যাগ এমন ভাবে গোছান যাতে প্রয়োজনীয় জিনিস দরকার হলেই চট করে পেয়ে যেতে পারেন। কোথায় কী রেখেছেন ব্যাগে সেটা মনে রাখুন।
আরও পড়ুন:
ওষুধ পত্র পর্যাপ্ত পরিমাণে রাখুন। যন্ত্রণা কমানোর স্প্রে, ব্যান্ডএইড-ও রাখুন সঙ্গে।
জলের বোতল এবং শুকনো খাবার রাখতে একদম ভুলবেন না। কোন রাস্তায় কত জ্যাম, গন্তব্যে পৌঁছতে কতক্ষণ লাগবে আপনি জানেন না। তাই আগে থেকেই প্রস্তুত থাকুন।
যত ক্ষণ কারেন্ট থাকছে তার মধ্যেই ফোন, পোর্টেবল চার্জার, ঘড়ি, ইত্যাদি চার্জ দিয়ে রাখুন যাতে অসুবিধায় না পড়তে হয়।
সঙ্গে মোমবাতি বা টর্চ রাখতে ভুলবেন না যেন।
আরও পড়ুন:
কোথায় ইন্টারনেটের কী অবস্থা হয়ে রয়েছে জানেন না এই দুর্যোগের সময়। তাই অনলাইন লেনদেনের বদলে ক্যাশে লেনদেন করুন। ব্যাগে পর্যাপ্ত ক্যাশ রাখুন।
যানজটে কোথাও গাড়ি থামলে হুটহাট গাড়ি থেকে না নেমে পড়াই ভাল, স্থানীয় এবং গাড়ি চালকদের কথা শুনে চলার চেষ্টা করুন। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)