প্রথম অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পরেও স্পষ্ট নয় কত জন ‘বিবেচনাধীন’ ভোটারের নাম উঠেছে। তার মধ্যেই যোগ হয়েছিল নতুন বিপত্তি। মঙ্গলবার কমিশনের ওয়েবসাইটে দেখা যাচ্ছিল চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম ছিল তাঁদের নামও ‘বিবেচনাধীন’। এপিক নম্বর দিয়ে ওয়েবসাইটে সার্চ করলেই প্রায় সকলের নাম ‘বিবেচনাধীন’ দেখাচ্ছিল। অবশেষে সেই সমস্যার সমাধান হল।
মঙ্গলবার রাতে অভিযোগ ওঠে, কোনও ভোটারের এপিক নম্বর দিয়ে সার্চ করলেই কমিশনের ওয়েবসাইটে ভোটার তালিকায় তাঁকে ‘বিবেচনাধীন’ হিসাবে দেখানো হচ্ছে। সেই সমস্যা জানিয়ে কমিশনের অফিসে ফোন করে বহু ভোটার অভিযোগও জানিয়েছেন। আরও অভিযোগ, ২৮ ফেব্রুয়ারি যে ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল, তাতে যাঁদের নাম ছিল, সেই ভোটারদেরও মঙ্গলবার কমিশনের ওয়েবসাইটে ‘বিবেচনাধীন’ দেখাচ্ছিল। এই প্রসঙ্গে কমিশনের সাফাই ছিল, ‘যান্ত্রিক ত্রুটি’।
সেই সমস্যারই সমাধান হল ঘণ্টাকয়েক পরে মঙ্গলবার মধ্যরাতে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম থাকা মানুষদের আর ‘বিবেচনাধীন’ দেখাচ্ছে না। এই সংক্রান্ত সমস্ত সমস্যার সামাধান হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল নির্বাচন কমিশন। বিবেচনাধীন ভোটার ছিল ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫। এই তালিকা ৭০৫ জন বিচারক নিষ্পত্তি করছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী নিষ্পত্তি হওয়া তালিকা ধাপে ধাপে বার করার কথা জানিয়েছে কমিশন। সেই অনুযায়ী সোমবার রাতে প্রথম অতিরিক্ত তালিকা (সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট) বার হয়েছে। তবে প্রথম অতিরিক্ত তালিকায় কত নিষ্পত্তি হয়েছে এবং সেখান থেকে কত জন ভোটারের নাম যোগ হয়েছে তা জানায়নি কমিশন।
আরও পড়ুন:
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মোতাবেক যাঁদের নাম বাদ পড়বে, তাঁরা আবেদন করতে পারবেন ট্রাইবুনালে। ইতিমধ্যে কলকাতা হাইকোর্ট সেই ট্রাইবুনাল গঠন করেছে। রাজ্যের ২৩টি জেলার জন্য ১৯ জন প্রাক্তন বিচারপতিকে নিয়ে ১৯টি ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়েছে।