বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরীর মনোনয়নকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার উত্তেজনা ছড়াল। অভিযোগ, বহমরপুরের মনোনয়ন কেন্দ্রের সামনে তাঁকে ঘিরে ‘গো ব্যাক’ এবং ‘জয় বাংলা’ স্লোগান তোলেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তৃণমূল কর্মীদের পাল্টা স্লোগান তোলেন কংগ্রেস কর্মীরাও। তার পরেই দুই দলের সমর্থকেরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ। তবে পরিস্থিতি আরও বেশি উত্তপ্ত হওয়ার আগেই পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর হস্তক্ষেপে তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে। মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে বেরিয়ে আসেন অধীর।
তিনি বলেন, ‘‘মনোনয়ন কেন্দ্রে তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী যে ধরনের কাজ করেছে, কংগ্রেস কর্মীরা তার উত্তর দিলে পরিস্থিতি অন্য রকম হত। বহরমপুর তো বটেই, সারা রাজ্যে তৃণমূল রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে। যে কোনও মূল্যে অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে তৃণমূল। কংগ্রেস সেই প্ররোচনায় পা দেবে না।’’
তৃণমূলের বিরুদ্ধে যখন অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে, ওই কেন্দ্রেরই তৃণমূল প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায় দাবি করেন, অধীর চৌধুরীকে ঘিরে কোনও রকম বিক্ষোভ দেখানো হয়নি। তাঁর পাল্টা অভিযোগ, কর্মীদের দিয়েই অধীর চৌধুরী একটা প্ররোচনা সৃষ্টি করেছিলেন। তৃণমূল প্রার্থী বলেন, ‘‘অধীর চৌধুরী বহরমপুরে এখন অতীত অধ্যায়। ভোটে কংগ্রেসের কোন প্রাসঙ্গিকতা নেই। মিথ্যে অভিযোগ করে যে কোনও ভাবে খবরে ভেসে থেকে প্রাসঙ্গিক হতে চাইছেন অধীর বাবু। এ ভাবে রাজনীতিতে কোনও লাভ হয় না।’’
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
০০:৪২
‘এই জয় আমার, জয় সিপিএমের’! বাতিল ভোটারদের নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরে দাবি মোস্তারির -
২৩:২২
তৃণমূলের হয়ে প্রচারের অভিযোগ! রাজ্যের পাঁচ বিএলও-কে সাসপেন্ড করল কমিশন, তিন জনের বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ -
২২:৪৮
‘প্রচার রুখতেই নজরবন্দি করা হচ্ছে’! দেবাশিস-সহ নানা তৃণমূল নেতার বাড়িতে আয়কর হানা নিয়ে কী কী বললেন মমতা -
২০:৩১
‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদার, আমি এত উদার নই’! তারিখ দিয়ে ‘অত্যাচারের হিসাব’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি অভিষেকের -
১৯:৩৩
পাহাড়ের জনতাকে ভোটমুখী করতে ‘হাতিয়ার’ টয় ট্রেন, দার্জিলিঙে যাত্রা শুরু করল ‘ডেমোক্রেসি এক্সপ্রেস’!