Advertisement

নবান্ন অভিযান

মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে অধীর, ‘গো ব্যাক’ স্লোগান তৃণমূলের, কংগ্রেস কর্মীদের সঙ্গে বচসা

অভিযোগ, বহমরপুরের মনোনয়ন কেন্দ্রের সামনে অধীর চৌধুরীকে ঘিরে ‘গো ব্যাক’ এবং ‘জয় বাংলা’ স্লোগান তোলেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তৃণমূল কর্মীদের পাল্টা স্লোগান তোলেন কংগ্রেস কর্মীরাও।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:৩১
Berhampore Congress Candidate Adhir Chowdhury files nomination

মনোনয়ন জমা দিলেন বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর রঞ্জন চৌধুরী। —নিজস্ব চিত্র।

বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরীর মনোনয়নকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার উত্তেজনা ছড়াল। অভিযোগ, বহমরপুরের মনোনয়ন কেন্দ্রের সামনে তাঁকে ঘিরে ‘গো ব্যাক’ এবং ‘জয় বাংলা’ স্লোগান তোলেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তৃণমূল কর্মীদের পাল্টা স্লোগান তোলেন কংগ্রেস কর্মীরাও। তার পরেই দুই দলের সমর্থকেরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ। তবে পরিস্থিতি আরও বেশি উত্তপ্ত হওয়ার আগেই পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর হস্তক্ষেপে তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে। মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে বেরিয়ে আসেন অধীর।

তিনি বলেন, ‘‘মনোনয়ন কেন্দ্রে তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী যে ধরনের কাজ করেছে, কংগ্রেস কর্মীরা তার উত্তর দিলে পরিস্থিতি অন্য রকম হত। বহরমপুর তো বটেই, সারা রাজ্যে তৃণমূল রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে। যে কোনও মূল্যে অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে তৃণমূল। কংগ্রেস সেই প্ররোচনায় পা দেবে না।’’

তৃণমূলের বিরুদ্ধে যখন অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে, ওই কেন্দ্রেরই তৃণমূল প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায় দাবি করেন, অধীর চৌধুরীকে ঘিরে কোনও রকম বিক্ষোভ দেখানো হয়নি। তাঁর পাল্টা অভিযোগ, কর্মীদের দিয়েই অধীর চৌধুরী একটা প্ররোচনা সৃষ্টি করেছিলেন। তৃণমূল প্রার্থী বলেন, ‘‘অধীর চৌধুরী বহরমপুরে এখন অতীত অধ্যায়। ভোটে কংগ্রেসের কোন প্রাসঙ্গিকতা নেই। মিথ্যে অভিযোগ করে যে কোনও ভাবে খবরে ভেসে থেকে প্রাসঙ্গিক হতে চাইছেন অধীর বাবু। এ ভাবে রাজনীতিতে কোনও লাভ হয় না।’’

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Adhir Ranjan Chowhury nomination filing Congress Leader
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy