Advertisement

নবান্ন অভিযান

বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা

শুক্রবার সকালে রাজ্যে আসার কথা রয়েছে শাহের। বিজেপি সূত্রে খবর, হবু বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে শাহের।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ মে ২০২৬ ১৯:১৭
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। — ফাইল চিত্র।

পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শনিবার সকালে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার, পঁচিশে বৈশাখ ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথ গ্রহণ করবেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তাঁকে ৪ মে-র পরে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আসতে হবে। সেই মতো পচিশে বৈশাখ রাজ্যে আসছেন মোদী।

প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল ৮টা ৫ মিনিট নাগাদ দিল্লি বিমানবন্দর থেকে ভারতীয় বায়ুসেনার বি-৭৭৭ বিমানে চেপে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা মোদীর। সকাল ১০টা ২৫ মিনিট নাগাদ তাঁর কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছোনোর কথা। সেখান থেকে এমআই-১৭ হেলিকম্পাটের আরসিটিসি হেলিপ্যাডে নামার কথা মোদীর। সেখান থেকে সড়কপথে ব্রিগেডে পৌঁছোবেন। ১১টা নাগাদ সেখানে পৌঁছোনোর কথা তাঁর। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের সূচি সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্রিগেটে সাড়ে ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান চলার কথা।

অনুষ্ঠান শেষে ১২টা ৩৫ মিনিট নাগাদ ব্রিগেড থেকে একই ভাবে সড়কপথে হেলিপ্যাড এবং সেখান থেকে কপ্টারে চেপে বিমানবন্দরে গিয়ে বিমানে ওঠার কথা রয়েছে মোদীর। শনিবার বিকেল ৩টে ৪০ মিনিট নাগাদ দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা প্রধানমন্ত্রীর বিমান।

রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচের আগে, গত ২৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী ভাটপাড়ায় প্রচারে বলেছিলেন, ‘‘বাংলায় যেখানে যেখানে গিয়েছি, মানুষের যা মেজাজ দেখেছি, এই বিশ্বাস নিয়ে যাচ্ছি যে, ৪ মে-র পরে বিজেপির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আসতেই হবে।’’ সেই মতো শনিবার রাজ্যে আসছেন মোদী।

শুক্রবার সকালে রাজ্যে আসার কথা রয়েছে শাহের। বিজেপি সূত্রে খবর, হবু বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে শাহের। বিধানসভায় বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা বেছে নেওয়ার কাজে পর্যবেক্ষক করা হয়েছে তাঁকে। এই কাজের জন্য সহকারী পর্যবেক্ষক হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পড়শি রাজ্য ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝিকে। যে কোনও রাজ্যে নির্বাচনের পরে পরিষদীয় দলনেতা বাছার সময় সেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের পাঠান বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁরা দলের নবনির্বাচিত প্রার্থী বা হবু বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকেই পরিষদীয় দলনেতার নাম ঘোষণা হয়ে যায়।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Narendra Modi
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy