মুর্শিদাবাদে দু’টি আসনে জয়ী হয়েছেন ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। এ বার দু’টি আসনের মধ্যে রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রটি ছেড়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন তিনি। বৃহস্পতিবার রেজিনগরে এক কর্মিসভা থেকে হুমায়ুন জানান, তিনি নওদা আসনটি নিজের কাছে রাখছেন। তাঁর ছেড়ে দেওয়া রেজিনগর আসনে উপনির্বাচনে প্রার্থী হবেন তাঁর পুত্র গোলাম নবি আজ়াদ।
বিধানসভা নির্বাচনে নওদা এবং রেজিনগর— দুই কেন্দ্র থেকেই আম জনতা উন্নয়ন পার্টির হয়ে লড়াই করেছিলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত নেতা হুমায়ুন। ফলপ্রকাশের আগেই তিনি দাবি করেছিলেন, দুই আসনে তাঁর জয় নিশ্চিত। নওদায় তৃণমূলের সাহিনা মুমতাজকে ২৭ হাজার ৯৪৩ ভোটে এবং রেজিনগরে তৃণমূলের আতাউর রহমানকে ৫৮ হাজার ৮৭৬ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন হুমায়ুন।
আরও পড়ুন:
দুই আসনে জয়ের পরে কোন আসনটি তিনি ছাড়বেন, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। বৃহস্পতিবার সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে রেজিনগর আসন থেকে ইস্তফার কথা জানান তিনি। সভায় উপস্থিত ছিলেন বেলডাঙা-২ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তথা হুমায়ুন-পুত্র আজ়াদ। সভায় দাঁড়িয়ে হুমায়ুন বলেন, ‘‘রেজিনগর আসনটি আমি ছাড়ছি ঠিকই, কিন্তু এখানকার মানুষের উন্নয়নের দায়িত্ব নেবে আমার পুত্র আজ়াদ। আসন্ন উপনির্বাচনে সে-ই হবে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী।’’
রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নিজের খাসতালুক রেজিনগর পরিবারের দখলেই রাখতে চাইছেন হুমায়ুন। এখন দেখার, তাঁর উত্তরাধিকারী আজ়াদ জয় ধরে রাখতে পারেন কি না! রাখলেও ব্যবধান কত রাখতে পারেন, সে দিকেই নজর।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত
-
সিসিটিভি বন্ধ করে গণনাকেন্দ্রে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ মমতার! ‘অসত্যভাষণ’ বলে ওড়ালেন নির্বাচনী আধিকারিক
-
হিংসা রুখতে রাজনীতির রং না দেখে কঠোর পদক্ষেপ করুন! মুখ্যসচিবকে বার্তা শমীকের, বিধাননগরে বৈঠকে বিজেপি