চন্দ্রনাথ রথের দেহের ময়নাতদন্ত শেষ হয়েছে। বারাসত হাসপাতালের মর্গ থেকে দেহ বার করে এনে তোলা হয়েছে শববাহী গাড়িতে। বিজেপি সূত্রে খবর, চন্দ্রনাথের দেহ চণ্ডীপুরে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে। হাসপাতালের বাইরে ভিড় করেছেন বহু মানুষ। পরিস্থিতি সামলাতে মোতায়েন রয়েছে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। হাসপাতালের বাইরে চন্দ্রনাথের দেহে মালা দিতে যান ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা তথা বারাসত পুরসভার প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
বুধবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ায় বাইকে এসে চন্দ্রনাথের গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। গাড়িতে চন্দ্রনাথের সঙ্গে ছিলেন তাঁর চালক বুদ্ধদেবও। তাঁদের দু’জনকেই উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে, চিকিৎসকেরা চন্দ্রনাথকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বুদ্ধদেবকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কলকাতার ইএম বাইপাস সংলগ্ন একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
আরও পড়ুন:
নিহত চন্দ্রনাথের দেহ বুধবার রাতেই নিয়ে যাওয়া হয় বারাসত মেডিক্যাল কলেজের মর্গে। রাজ্য পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় আধাসেনা বাহিনীর জওয়ানদের সেখানে মোতায়েন করা হয়। মধ্যমগ্রামের ওই ঘটনাস্থল এখনও ঘিরে রেখেছে পুলিশ। রয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরাও। আপাতত কাউকে অকুস্থলে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে সূত্রের খবর। পুলিশের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের একটি প্রতিনিধিদল বুধবার রাতে অকুস্থলে পৌঁছে যায়। যে গাড়িটিতে চন্দ্রনাথ ছিলেন, সেটি থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছেন ফরেনসিক আধিকারিকেরা। গাড়ির সামনের দিকে চালকের আসনে এবং পাশের আসনে— দু’জায়গাতেই রক্তের ছোপ রয়েছে। সেই দুই আসন-সহ গাড়ির ভিতরের বিভিন্ন অংশ খতিয়ে দেখেন তাঁরা। সকালের দিকে গাড়িটিকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।