বিজেপির বিরুদ্ধে টাকা বিলির অভিযোগ দু’জেলায়

শুক্রবার রাতে হুগলির ধনেখালির দক্ষিণ শিমলায় বিজেপি গাড়িতে করে টাকা বিলি করছে এই অভিযোগে শোরগোল পড়ে। গ্রামবাসী গাড়িটি আটকে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ জানায়, গাড়িটি থেকে ২ লক্ষ ১০ হাজার ৮১৮ টাকা মিলেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:১৩

—প্রতীকী চিত্র।

দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে, বিজেপির বিরুদ্ধে টাকা বিলি বা ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠল হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। একটি ঘটনায় আটক হওয়া বিজেপি নেতা অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মার ‘ঘনিষ্ঠ’ বলেও দাবি তৃণমূলের। তবে বিজেপি অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে।

শুক্রবার রাতে হুগলির ধনেখালির দক্ষিণ শিমলায় বিজেপি গাড়িতে করে টাকা বিলি করছে এই অভিযোগে শোরগোল পড়ে। গ্রামবাসী গাড়িটি আটকে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ জানায়, গাড়িটি থেকে ২ লক্ষ ১০ হাজার ৮১৮ টাকা মিলেছে। গাড়িতে ছিলেন অসমের বিজেপির সহ-সভাপতি অশোককুমার ভট্টরাই এবং ধনেখালির বিজেপি কর্মী সুদীপকুমার ভকত। ওই দু’জন এবং গাড়ির চালক বাপি অধিকারীকে আটক করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা হচ্ছে।

ধনেখালির তৃণমূল প্রার্থী অসীমা পাত্র বলেন, ‘‘বিজেপি বুঝেছে, জিততে পারবে না। তাই ভিন্‌ রাজ্যের লোক এনে টাকা বিলি করছে। যে নেতা ধরা পড়েছেন, তিনি অসমের মুখ্যমন্ত্রীর কাছের লোক।’’ ধনেখালির বিজেপি প্রার্থী বর্ণালী দাসের দাবি, ‘‘অশোকবাবু দলীয় কাজে এসেছিলেন। টাকা বিলি বিজেপি করে না।’’ শনিবার বিকেলে প্রচারে এসে বিজেপির খড়্গপুরের প্রার্থী দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘কার টাকা ধরা পড়েছে, পুলিশ তদন্ত করে দেখুক।’’

চুঁচুড়ায় জেলা সংশোধনাগারের কাছে ওই রাতে ‘অন্নপূর্ণার ভান্ডার’-এর নামে মহিলাদের থেকে আধার নম্বর চাওয়ার অভিযোগ ওঠে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। তৃণমূলের দাবি, বিষয়টি নিয়ে সরব হতেই এলাকা ছাড়েন বিজেপি কর্মীরা। চুঁচুড়ার বিজেপি প্রার্থী সুবীর নাগ অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, ‘‘কর্মীরা বাড়ি-বাড়ি প্রচার করছিলেন। যন্ত্রে আমার নাম ৫ নম্বরে রয়েছে সেটা দেখিয়েছেন। এর বেশি কিছু নয়।’’

শনিবার দুপুরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্দিরবাজারের কেশবেশ্বর শিবমন্দির সংলগ্ন এলাকা থেকে ব্যাগভর্তি প্রায় সাড়ে ১৭ লক্ষ টাকা-সহ মোটরবাইক আরোহী দুই বিজেপি নেতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। ধৃতদের নাম অর্ঘ্য পুরকাইত ও শুভদীপ হালদার। অর্ঘ্য স্থানীয় বিজেপি প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্টের ছেলে। এলাকাবাসীর দাবি, পথে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিলি করছিলেন তাঁরা। পুলিশ জানায়, টাকার উৎস সম্পর্কে সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি ওই দু’জন। তবে এলাকার বিজেপি নেতা সুফল ঘাটুর দাবি, ‘‘যে কেউ ব্যক্তিগত ভাবে টাকা নিয়ে যেতে পারেন। এখানে বিজেপি কী করবে? ভোটের মুখেবদনাম করা হচ্ছে।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

BJP Election Commission

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy