নির্বাচন কমিশনের কাজে ‘ক্ষুব্ধ’ হাই কোর্ট

বৃহস্পতিবার কমিশনের কৌঁসুলি অনামিকা পাণ্ডে যুক্তি দেন, ২০১০ সালের নির্দেশিকার পরিবর্তে ২০২৩ সালে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:৪৩

—প্রতীকী চিত্র।

রাজ্যের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিযুক্ত করার নির্দিষ্ট বিজ্ঞপ্তি দেখাতে না পারায় কলকাতা হাই কোর্টের ক্ষোভের মুখে পড়ল নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার কমিশনের কৌঁসুলি অনামিকা পাণ্ডে যুক্তি দেন, ২০১০ সালের নির্দেশিকার পরিবর্তে ২০২৩ সালে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন। সে ক্ষেত্রে নির্বাচনী আইনের ২৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের এই কাজে নিয়োগ করতে পারেন জেলা নির্বাচনী আধিকারিক।

যুক্তি শুনে বিচারপতি কৃষ্ণ রাও বলেন, “এই ধারা অনুযায়ী বিচারক ও বিচারপতিদেরও ভোটের কাজে নিযুক্ত করুক কমিশন। আমরাও ভোট কেন্দ্রে গিয়ে কাজ করি। আমি ভোটের কাজে যেতে প্রস্তুত। এটা রসিকতার বিষয় নয়। প্রতিবারই নির্বাচন কমিশন নিজেদের নির্দেশিকা পরিবর্তন করছে অথচ কোনও স্পষ্ট বিজ্ঞপ্তি দিচ্ছে না!”

মামলাকারী কলেজ শিক্ষিকা রূপা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য এবং শামিম আহমেদ এ দিন দাবি করেন, ২০১০ ও ২০২৩ সালের কমিশনের নির্দেশিকার মধ্যে কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁদের বক্তব্য, কলেজ শিক্ষকদের প্রিসাইডিং অফিসারের কাজ থেকে অব্যাহতি দিয়ে নির্বাচনী কাজে ‘রিজ়ার্ভ’ থাকা কেন্দ্রীয় সরকারি বা রাজ্য সরকারি কর্মীদের ওই কাজে নিয়োগ করুক কমিশন। অনামিকার পাল্টা দাবি, ভোটের আর কয়েক দিন বাকি। প্রতি জেলায় নির্দিষ্ট দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। শেষ বেলায় কোর্ট হস্তক্ষেপ করলে নির্বাচন পিছিয়ে যাবে। বিচারপতি রাওয়ের প্রশ্ন, “কমিশনের এই কাজে কোর্ট যদি চোখ বন্ধ করে থাকে তার প্রভাব কী হতে পারে?” কলেজ শিক্ষকদের প্রিসাইডিং অফিসার পদে নিয়োগ সংক্রান্ত বিশেষ পরিস্থিতির তথ্য ফের তলব করেছে কোর্ট। আজ, শুক্রবার ফের মামলার শুনানি হবে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Election Commission Calcutta High Court

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy