WBState_Assembly_Elections_Lead0_03-05-26

গণনা কেন্দ্রের দু’টি স্তরেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী

এখনও পর্যন্ত কমিশনের যে পরিকল্পনা রয়েছে তাতে, গণনা কেন্দ্রের বাইরে, গণনা কেন্দ্রের চৌহদ্দি এবং ভিতরে তিনটি নিরাপত্তা স্তর থাকবে। তাতে বাইরে থাকবেন রাজ্য পুলিশের আধিকারিকেরা। ভিতরের দু’টি স্তরে নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ মে ২০২৬ ০৬:৪৯

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

নজরদারি থেকে নিরাপত্তা— গণনা কেন্দ্রের ব্যবস্থা নিয়ে নতুন পদক্ষেপ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। আগামিকাল, সোমবার ভোট গণনা হবে। তার আগে শনিবার দিল্লির নির্বাচন সদন জানিয়ে দিল, অতিরিক্ত গণনা পর্যবেক্ষক এবং পুলিশ পর্যবেক্ষকদের নজর থাকবে গোটা প্রক্রিয়ার উপরে। যদিও অতিরিক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা গণনা কেন্দ্রের ভিতরে প্রবেশ করতে পারবেন না। পাশাপাশি, এখনও পর্যন্ত কমিশনের সিদ্ধান্ত, গণনা কেন্দ্রের নিরাপত্তার জন্য যে ত্রিস্তরীয় ব্যবস্থা থাকবে, তার দু’টি স্তরের দায়িত্ব সামলাবেকেন্দ্রীয় বাহিনীই।

এখনও পর্যন্ত কমিশনের যে পরিকল্পনা রয়েছে তাতে, গণনা কেন্দ্রের বাইরে, গণনা কেন্দ্রের চৌহদ্দি এবং ভিতরে তিনটি নিরাপত্তা স্তর থাকবে। তাতে বাইরে থাকবেন রাজ্য পুলিশের আধিকারিকেরা। ভিতরের দু’টি স্তরে নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। পূর্বের একাধিক ভোটে ভিতরের নিরাপত্তা স্তরে রাজ্য পুলিশকে রাখারই চল ছিল। একই সঙ্গে তাদের নির্দেশ, গণনা সংক্রান্ত পর্যবেক্ষক এবং মাইক্রো পর্যবেক্ষক ছাড়া আর কারও মোবাইল নিয়ে প্রবেশাধিকার থাকবে না।

কমিশন নির্দেশিকা প্রকাশ করে জানিয়েছে, রাজ্যে অতিরিক্ত ১৬৫ জন গণনা পর্যবেক্ষক এবং ৭৭ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক মোতায়েন করা হয়েছে। এই ১৬৫ জন পর্যবেক্ষকের নজর থাকবে সেখানে, যেখানে গণনার জন্য অতিরিক্ত কক্ষ ব্যবহার করা হচ্ছে। অর্থাৎ, প্রতিটি গণনা কক্ষেই এক জন করে পর্যবেক্ষকের নজর থাকার কথা। অতিরিক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা গণনা-এলাকার উপর নজর রাখবেন। তাঁরা গণনা কেন্দ্রে প্রবেশ করবেন না। প্রসঙ্গত, শুক্রবারই কমিশন জানিয়েছিল, এ বার ‘কিউআর কোড’ দেওয়া পরিচয়পত্র দেওয়া হবে রিটার্নিং অফিসার থেকে রাজনৈতিক দলগুলির এজেন্ট— সকলকে। প্রথম দু’টি নিরাপত্তা স্তরে তা সাধারণ ভাবে যাচাই হবে। তৃতীয় স্তরে পরিচয়পত্রের ‘কিউআর কোড’ যাচাই হবে।

অন্য দিকে, হাওড়া সদরের যে তিনটি গণনা কেন্দ্রে মোট ন’টি বিধানসভা কেন্দ্রের গণনা হবে, তার ২০০ মিটার এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। ভোট গণনার দিন সকাল থেকে গণনা কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে কাউকে জমায়েত করতে দেওয়া হবে না। তিনটি গণনা কেন্দ্রে মোট ছ’কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। এ ছাড়াও হাওড়া কমিশনারেট এলাকায় আইনশৃঙ্খলা সামলাতে ১৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। বর্ধমান শহরের স্ট্রংরুমের দেওয়াল বেয়ে দড়ি ধরে এক জন ছাদে উঠছেন, এমন ভিডিয়ো দেখিয়ে সেখানকার নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বর্ধমান উত্তরের বিজেপি প্রার্থী সঞ্জয় দাস। তৃণমূলেরও দাবি, সিসি ক্যামেরায় সমস্যা রয়েছে। পূর্ব বর্ধমান জেলা নির্বাচনী দফতর জানিয়েছে, স্ট্রংরুম ও গণনা কেন্দ্রের প্রতিটি ঘরেই দু’টি করে বাতানুকূল যন্ত্র ও সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ চলছে। নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র আছে। বালুরঘাট, শ্রীরামপুর কলেজ, বসিরহাটের ভ্যাবলা পলিটেকনিক কলেজের স্ট্রংরুমের সিসিটিভি নিয়ে অভিযোগ তুলেছে রাজনৈতিক দলগুলি। কমিশন জানিয়েছে, সমস্যা নেই। যান্ত্রিক ত্রুটি দেখলেই তা মেরামত করা হচ্ছে সকলকে জানিয়ে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

central forces vote counting

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy