ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। সেই প্রেক্ষাপটে শনিবার ধর্মীয় কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শাসক-বিরোধী দুই শিবিরের কার্যকলাপ নতুন করে চর্চায় উঠে এল। শনিবার সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কালীঘাটের মা বগলামুখী মন্দিরে পুজো দিলেন। ঘটনাচক্রে শনিবার সকালে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সকালেই প্রচারের অংশ হিসাবে প্রথমে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (আরএসএস) কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এর পর তিনি কালীঘাট মন্দিরে পুজো দেন। তাঁর এই কর্মসূচির ছবি বিজেপির তরফে দ্রুত সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। রাতে মমতার বগলামুখীর মন্দিরে পুজো দেওয়ার ছবি প্রকাশ্যে আসে। মুখ্যমন্ত্রী এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে জোরদার প্রচার শুরু না করলেও, শনিবার সন্ধ্যায় তাঁর একটি পদক্ষেপ রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। কালীঘাট সেতুর সংলগ্ন নিজের প্রতিষ্ঠিত মা বগলামুখীর মন্দিরে পুজো দিতে যান তিনি। সেই ছবিও তৃণমূলের বিভিন্ন সমাজমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়ে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সকালে শুভেন্দুর কালীঘাট মন্দিরে পুজো এবং সন্ধ্যায় মমতার বগলামুখী মন্দিরে উপস্থিতি রাজনৈতিক বার্তা বহন করছে। যদিও তৃণমূলের তরফে এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু বলা হয়নি।
অন্য দিকে, রবিবার সন্ধ্যায় চেতলার অহীন্দ্র মঞ্চে ভবানীপুর বিধানসভা এলাকার কর্মীদের নিয়ে এক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। যেখানে প্রার্থী মমতা তো বটেই, হাজির থাকবেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী, দক্ষিণ কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি দেবাশিস কুমার, মেয়র ফিরহাদ হাকিম-সহ ভবানীপুরের আরও সাত জন কাউন্সিলর। কর্মী সম্মেলনে সব বুথের কর্মীদেরও হাজির থাকতে বলা হয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বের লক্ষ্য, ভোটের আগে মমতার ভবানীপুরে করা কাজের ফিরিস্তি বুথে বুথে পৌঁছে দেওয়া।