Advertisement

নবান্ন অভিযান

শান্তি বিঘ্নিত করতে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে! সমাজমাধ্যমে নজর কলকাতা পুলিশের, কড়া পদক্ষেপের বার্তা

সোমবার পশ্চিমবঙ্গের ২৯৩টি আসনের ভোটগণনা হয়েছে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি। শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকে ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ এসেছে। পুলিশ সতর্ক।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ মে ২০২৬ ১২:৩২
ভোটের ফলাফলের দিন শহরের রাস্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী।

ভোটের ফলাফলের দিন শহরের রাস্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। —নিজস্ব চিত্র।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হতেই দিকে দিকে শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ। কলকাতা পুলিশ সমাজমাধ্যমের পাতায় কড়া নজর রেখেছে। ভুয়ো খবর ছড়ানো হলে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার বেলায় কলকাতা পুলিশের তরফে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, ‘‘ভোটের ফল ঘোষণার পর অনেক বিভ্রান্তিকর পোস্ট ছড়ানো হচ্ছে। অন্য জায়গার ছবি এবং ভিডিয়োকে কলকাতার বলে চালানো হচ্ছে। এই ধরনের পোস্টের উপর কলকাতা পুলিশ কড়া নজর রেখেছে। যাঁরা শান্তি বিঘ্নিত করার জন্য ভুল খবর ছড়াচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ করা হবে।’’ ভোটের ফলের পর কলকাতার পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে জানিয়েছে পুলিশ। বলা হয়েছে, ‘‘কলকাতায় পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। নাগরিকদের কাছে আবেদন, যাচাই না করে কোনও খবর বিশ্বাস করবেন না বা তা ছড়াবেন না।’’

সোমবার পশ্চিমবঙ্গের ২৯৩টি আসনের ভোটগণনা হয়েছে। ২০৭টি আসনে বিজেপি জিতে গিয়েছে। একটি আসনের ফলাফল এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে জানা যায়নি। তৃণমূল পেয়েছে ৮০টি আসন। এ রাজ্যে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। এই পরিস্থিতিতে সোমবার রাত থেকেই শহর এবং শহরতলির বিভিন্ন জায়গায় ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ উঠছে। তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় অনেক জায়গায় ভেঙে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, কোথাও কোথাও তা দখল করে নিয়েছে বিজেপি। কলকাতার রাস্তাতেও ভাঙচুর, মারধরের অভিযোগ উঠেছে। শহরের শান্তি যাতে বিঘ্নিত না-হয়, তা নিশ্চিত করতেই ভুয়ো পোস্ট নিয়ে বার্তা দিল পুলিশ। সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীদেরও সতর্ক করে দেওয়া হল।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
সর্বশেষ
১ মিনিট আগে
TMC BJP Kolkata Police
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy