কেরলে বাম সরকারের পতনের পর ৪৯ বছর বাদে ভারতের মানচিত্র বামশূন্য হয়ে গেল। যে ভোটে এ হেন বিপর্যয় ঘটল, সেই ভোটেই পশ্চিমবঙ্গের সিপিএম তাদের শূন্যের গেরো কাটিয়ে ফেলল। পাঁচ বছর পরে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় প্রতিনিধিত্ব থাকবে সিপিএমের। তবে এক জনেরই। ডোমকল থেকে একমাত্র সিপিএম প্রার্থী হিসাবে জিতলেন মুস্তাফিজুর রহমান রানা। সে দিক থেকে সিপিএম হয়ে উঠল ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি মুর্শিদাবাদী!
স্বাধীনতার পরে ২০২১ সালেই প্রথম পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা বামশূন্য হয়ে গিয়েছিল। তার আগে ২০১৯ সালের লোকসভা ভোট এবং পরে ২০২৪ সালের লোকসভাতেও এই রাজ্য থেকে কোনও প্রতিনিধি পাঠাতে পারেনি সিপিএম। ফলে সিপিএমের সঙ্গে শূন্য জুড়ে ছিল গত সাত বছর ধরে। ২০২৬ সালের ভোটে সেই গেরো কেটে গেল।
আরও পড়ুন:
সিপিএমের রানার বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীর। সিপিএম শূন্যের গেরো কাটাতে সবচেয়ে ভরসা করেছিল মুর্শিদাবাদের গোটা চারেক আসনের উপর। তার মধ্যে অন্যতম ছিল ডোমকল। একটা সময়ে প্রাক্তন মন্ত্রী আনিসুর রহমান জিততেন এই আসন থেকে। ২০১১ সালেও ডোমকল থেকে জিতেছিলেন তিনি। ১০ বছর পর ফের লাল হল ডোমকল।
সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম আগ্রাসী ছিলেন শূন্যের গেরো কাটাতে। নানা প্রশ্ন ওঠা সত্ত্বেও সমীকরণ বদলাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ করেছিলেন। বিধানসভায় পাঁচ বছর আগে যখন সিপিএম শূন্য হয়েছিল, তখন রাজ্য সম্পাদক ছিলেন সূর্যকান্ত মিশ্র। অবশেষে সেলিমের জমানাতেই শূন্যের গেরো কাটাল সিপিএম। ভোটের ফলাফল নিয়ে সেলিম বলেন, ‘‘এত দিনে আরএসএস-এর সাধ পূর্ণ হল। সৌজন্যে নির্বাচন কমিশন, এসআইআর এবং মমতার আমলের দুর্নীতি, অপশাসন। এ বার উগ্র দক্ষিণপন্থার সঙ্গে মুখোমুখি লড়াই হবে বামেদের।’’ আগামী পাঁচ বছর রানাকে দলে ধরে রাখাও চ্যালেঞ্জ সিপিএমের। দলবদলের সংস্কৃতিতে যাতে তিনি ভেসে না-যান, তা-ও ভাবতে হচ্ছে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটকে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
১৯:২৭
চেনা ময়দানে ফিরে ফের ছক্কা হাঁকালেন দিলীপ! হেরেছিলেন লোকসভায়, বিধানসভায় স্বমেজাজে ফিরলেন ঘোষ -
১৯:০৮
জেল খেটে আসা বালুকে তাঁর কেন্দ্রেই প্রার্থী করেছিলেন মমতা! তিন বারের বিধায়ককে এ বার প্রত্যাখ্যান হাবড়ার -
সরাসরি
১৮:৫৮
‘পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে, আজ থেকে বাংলা ভয়মুক্ত হল’, প্রধানমন্ত্রীর মুখে বঙ্কিমচন্দ্র, ঋষি অরবিন্দের কথা -
১৮:৫৫
নিজের গড় নন্দীগ্রামকে আরও পোক্ত করলেন শুভেন্দু, বৃথা গেল তৃণমূলের ‘পবিত্র’ চেষ্টা! মিলল না অভিষেকের অনুমান -
১৮:৪৩
হুমায়ুন জিতে নিলেন নওদা, রেজিনগর দুই আসনই! বাবরি বিতর্ক, তৃণমূল থেকে বহিষ্কার, নতুন দল, এ বার কোন পথে?