পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় যত বুথে ভোট হয়েছে, তার মধ্যে একটিতেও পুনর্নির্বাচন হচ্ছে না। শুক্রবার জানিয়ে দিল কমিশন। বৃহস্পতিবার রাজ্যের ৪৪ হাজার ৩৭৬টি বুথে ভোটগ্রহণ হয়েছে।
তামিলনাড়ুর কোনও বুথেও পুনর্নির্বাচন হচ্ছে না বলেও জানিয়েছে কমিশন। সেখানে বৃহস্পতিবার ৭৫,০৬৪ বুথে ভোটগ্রহণ হয়েছে।
কমিশন বিধানসভা ভোটের আগে পুনর্নির্বাচন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কোথাও কোনও ভয় দেখানো বা ভোট দানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠলেই সেখানে পুনর্নির্বাচন করা হবে বলে জানিয়েছিল। তবে বৃহস্পতিবার দুই রাজ্যে যত বুথে ভোট গ্রহণ হয়েছে, সেখানে পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজন নেই বলে শুক্রবার জানিয়েছে কমিশন।
১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনে পুনর্নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তারিত রয়েছে। কোন কোন ক্ষেত্রে কোন বুথে বা ভোটকেন্দ্রে পুনর্নির্বাচন হতে পারে, তা স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ রয়েছে তাতে। তবে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমিশনেরই।
অতীতের নানা নির্বাচনে রাজ্যের বিভিন্ন বুথে ভোটারদের ভয় দেখানো, ছাপ্পা, ভোটদানে বাধা দেওয়ার মতো অভিযোগ তুলেছে রাজনৈতিক দলগুলি। তবে খুব বেশি সংখ্যক বুথে পুনর্নির্বাচন দেখা যায়নি। প্রিসাইডিং অফিসারের রিপোর্টের ভিত্তিতেই পুনর্নির্বাচন করে কমিশন। এ বার কমিশনের স্বতঃপ্রণোদিত ভাবেও সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ছিল।
এ বারে কমিশনের যা দৃষ্টিভঙ্গি, তাতে কোথাও গুরুতর বেনিয়ম হয়েছে বলে যদি মনে করে তারা, তা হলেই কড়া পদক্ষেপ করার আভাস মিলেছে। এই অবস্থায় বুথগুলি থেকে উঠে আসা অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুনর্নির্বাচনের মধ্যে হারও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে মনে করা হয়।
আরও পড়ুন:
প্রথম দফার ভোট চলাকালীন মুর্শিদাবাদের ভরতপুর ও বহরমপুর— দু’টি বিধানসভা কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার কংগ্রেস নেতা নিলয় প্রামাণিক মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ অগ্রবালের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। প্রয়োজনে ভোটের সময় বৃদ্ধি বা পুনর্নির্বাচনের ব্যবস্থার কথাও উল্লেখ করা হয়।
বৃহস্পতিবার রাত ১২টা পর্যন্ত কমিশনের পরিসংখ্যান বলছে, রাজ্যে প্রথম দফায় ভোট পড়েছে ৯২.৮৮ শতাংশ। ভোটদানের হার সবচেয়ে বেশি কোচবিহারে— ৯৬.০৪ শতাংশ। এ ছাড়া দক্ষিণ দিনাজপুরে ৯৫.৪৪ শতাংশ ভোট পড়েছে। ৯৪ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে জলপাইগুড়ি, মালদহ, বীরভূম এবং উত্তর দিনাজপুরে। দার্জিলিং ও কালিম্পঙে ভোটের হার ৯০ শতাংশের নীচে। বাকি জেলাগুলিতেও ভোটের হার ৯০-এর গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
০০:২৩
ফের সাসপেন্ডের নির্দেশ! হিঙ্গলগঞ্জের ওসির পর ডায়মন্ড হারবারের অতিরিক্ত সুপার, এসডিপিও-সহ পাঁচ পুলিশকে -
২৩:২৮
ভবিষ্যদ্বাণী করছি, নন্দীগ্রামে জিতবে তৃণমূল: অভিষেক! শুভেন্দুর দাবি, ভবানীপুরেও তিনি হারিয়ে দেবেন মমতাকে -
১৯:৩৪
‘তৃণমূলে এসে লুটেপুটে খেল, ইডি দেখে বিজেপি হয়ে গেল’! ভবানীপুরে নাম না করে শুভেন্দুকে কটাক্ষ মমতার -
১৯:৩০
মদের দোকানে হুড়োহুড়ি, প্রায় শেষ ‘স্টক’! কী ভাবে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ক্রেতাদের চাহিদা সামলাবেন? চিন্তায় ব্যবসায়ীরা -
১৮:২৭
প্রায় ৯৩ শতাংশ মহিলা প্রথম দফায় ভোট দিয়েছেন! ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ না ‘রাতদখল’? অঙ্ক কষা চলছে তৃণমূলের অন্দরে