ডায়মন্ড হারবারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও)-সহ ৫ জন পুলিশকে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতরের তরফে এ কথা জানানো হয়েছে।
এর পাশাপাশি, নিজের অধীনস্থ অফিসারদের ঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার কারণে জেলার পুলিশ সুপার ইশানি পালকে সতর্ক করেছে কমিশন। কমিশনের তরফে রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালাকে পাঠানো চিঠি থেকে জানা যাচ্ছে, সাসপেন্ড হওয়া পুলিশকর্মীরা হলেন— ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অতিরিক্ত সুপার সন্দীপ গড়াই, ডায়মন্ড হারবারের এসডিপিও সজল মণ্ডল, ডায়মন্ড হারবারের থানার আইসি মৌসম চক্রবর্তী, ফলতা থানার আইসি অজয় বাগ এবং উস্তি থানার ওসি শুভেচ্ছা বাগ।
কমিশনের তরফে মুখ্যসচিবকে জানানো হয়েছে, বিধানসভা ভোটের আগে ‘আচরণবিধির গুরুতর লঙ্ঘন এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে’ সাসপেন্ড হওয়া পাঁচ পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে হবে। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাতে কমিশনের তরফে হিঙ্গলগঞ্জ থানার ওসি সন্দীপ সরকারকে সাসপেন্ড করার নির্দেশিকা জারি করা হয়। রাজ্যের মুখ্যসচিব কমিশনের নির্দেশ মতো সন্দীপের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। তাঁর জায়গায় অবিলম্বে অন্য কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
২৩:২৮
ভবিষ্যদ্বাণী করছি, নন্দীগ্রামে জিতবে তৃণমূল: অভিষেক! শুভেন্দুর দাবি, ভবানীপুরেও তিনি হারিয়ে দেবেন মমতাকে -
১৯:৩৪
‘তৃণমূলে এসে লুটেপুটে খেল, ইডি দেখে বিজেপি হয়ে গেল’! ভবানীপুরে নাম না করে শুভেন্দুকে কটাক্ষ মমতার -
১৯:৩০
মদের দোকানে হুড়োহুড়ি, প্রায় শেষ ‘স্টক’! কী ভাবে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ক্রেতাদের চাহিদা সামলাবেন? চিন্তায় ব্যবসায়ীরা -
১৮:২৭
প্রায় ৯৩ শতাংশ মহিলা প্রথম দফায় ভোট দিয়েছেন! ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ না ‘রাতদখল’? অঙ্ক কষা চলছে তৃণমূলের অন্দরে -
১৭:৩১
‘প্রশ্ন করার ক্ষমতা অরাজকতা নয়, এত নীচে নেমে গেলেন?’ প্রধানমন্ত্রীর যাদবপুর-মন্তব্যের সমালোচনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা