E-Paper

শহরে পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা, বাড়ল এফএসটি ও এসএসটি-র সংখ্যাও

সূত্রের দাবি, কোথাও কোনও গোলমাল হলে সেখানে পৌঁছে নজরদারি চালায় ফ্লাইং স্কোয়াড টিম। অন্য দিকে, বিভিন্ন জায়গায় নাকা পয়েন্ট তৈরি করে নজরদারি এবং সন্দেহজনক গাড়ি থেকে শুরু করে ব্যক্তিবিশেষকেও তল্লাশি করে থাকে এসএসটি।

শিবাজী দে সরকার

শেষ আপডেট: ২৫ মার্চ ২০২৬ ০৮:৩১
লালবাজার।

লালবাজার। —ফাইল চিত্র।

কলকাতা পুলিশ এলাকায় ফ্লাইং স্কোয়াড টিম (এফএসটি) এবং স্ট্যাটিক সার্ভেল্যান্স টিম (এসএসটি)-এর সংখ্যা বৃদ্ধি করা হল। পুলিশ সূত্রের খবর, ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই রাস্তায় নেমেছে এই দুই দল। প্রাথমিক ভাবে এফএসটি-র সংখ্যা ছিল ৭৬। সমসংখ্যক ছিল এসএসটি। চলতি সপ্তাহে সেই সংখ্যা বাড়িয়ে প্রতি ক্ষেত্রে ১৭১ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, কলকাতা পুলিশ এলাকায় ১৯টি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে ন’টি করে এফএসটি ও এসএসটি তৈরি করা হয়েছে। মূলত সাধারণ পর্যবেক্ষক এবং পুলিশ পর্যবেক্ষকদের তদারকিতেই এই দুই দলের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে খবর।

সূত্রের দাবি, কোথাও কোনও গোলমাল হলে সেখানে পৌঁছে নজরদারি চালায় ফ্লাইং স্কোয়াড টিম। অন্য দিকে, বিভিন্ন জায়গায় নাকা পয়েন্ট তৈরি করে নজরদারি এবং সন্দেহজনক গাড়ি থেকে শুরু করে ব্যক্তিবিশেষকেও তল্লাশি করে থাকে এসএসটি। প্রথম দিকে এই দু’টি দলে কলকাতা পুলিশের কর্মী ও অফিসারদের রাখা হলেও পরে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে তাতে যোগ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা।

সূত্রের দাবি, এই দুই দল ২৪ ঘণ্টা সক্রিয় থাকলেও রাতে দলে থাকছেন না কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা। তবে, চলতি সপ্তাহে আরও ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী শহরে চলে এলে এফএসটি ও এসএসটি-তে ২৪ ঘণ্টাই তাঁরা থাকবেন। বর্তমানে কলকাতা পুলিশ এলাকায় ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে।

এ দিকে, ইতিমধ্যে শহরে চলে এসেছেন পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা। কলকাতা পুলিশের প্রতিটি থানা পরিদর্শনের পাশাপাশি আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন তাঁরা। সূত্রের দাবি, প্রতিটি থানায় হওয়া এই বৈঠকে পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা মূলত ছ’টি বিষয়ের উপরে জোর দিয়েছেন। যার মধ্যে রয়েছে হিংসামুক্ত পরিবেশে নির্বাচন, ছাপ্পা ভোট রোখা, ভোটারদের ভয় দেখানো বন্ধ করা, বুথে আসতে তাঁরা যাতে বাধার সম্মুখীন না হন, তা নিশ্চিত করা, বুথ জ্যাম আটকানো ও প্রলোভন-মুক্ত নির্বাচন করা। লালবাজার জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী এই ছ’টি বিষয় যাতে পুলিশের নিচুতলা পর্যন্ত পৌঁছয়, সে জন্য কলকাতার নগরপাল থেকে শুরু করে অন্য আধিকারিকেরাও থানায় গিয়ে বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

এক পুলিশকর্তা জানান, পুলিশ যাতে নিরপেক্ষ ভাবে ভোট করানোর উপরে জোর দেয়, সে দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলেছেন পর্যবেক্ষকেরা। একই সঙ্গে, ভীত ভোটারদের খুঁজে বার করে তাঁদের ভয় কাটাতে বলা হয়েছে। নির্দেশে আরও বলা হয়েছে, সংবেদনশীল ও স্পর্শকাতর এলাকায় বার বার কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়ে টহল দেওয়াতে হবে। অন্য দিকে, বৈধ লাইসেন্সপ্রাপ্ত অস্ত্র কাল, বৃহস্পতিবারের মধ্যে জমা করে সেই রিপোর্ট দিতে লালবাজারকে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেই মতো এ দিন থেকে ওই কাজ শুরু করেছে কলকাতা পুলিশের বিভিন্ন থানা।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Lalbazar West Bengal Assembly Election

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy