উপনির্বাচনে জয়ী শাসকদলের বিজয় উৎসবের সময় মেয়েকে হারিয়েছিলেন। সেই তমন্না খাতুনের মা সাবিনা ইয়াসমিনকে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কালীগঞ্জ থেকে প্রার্থী করেছে বামফ্রন্ট। কিন্তু প্রার্থী হিসাবে সাবিনাকে পছন্দ নয় স্থানীয় সিপিএমের একাংশের। তাই নিয়ে মঙ্গলবার রণক্ষেত্রের চেহারা নিল কালীগঞ্জের সিপিএম কার্যালয়। হাতাহাতি, মারামারি থেকে কার্যালয়ের আসবাবপত্র গুঁড়িয়ে দিলেন সিপিএম কর্মীদের একাংশ। শোরগোল গোটা এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে খবর, বোমার আঘাতে মৃত তমন্নার মাকে প্রার্থী হিসাবে ঘোষণার পর থেকে স্থানীয় সিপিএম নেতা-কর্মীদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ দানা বাঁধে। মঙ্গলবার সেটাই প্রকাশ্যে আসে। সকালে সিপিএম কর্মীরাই দলীয় কার্যালয়ে চড়াও হন। তাঁদের দাবি, সাবিনাকে সরিয়ে অন্য কাউকে প্রার্থী করতে হবে। কার্যালয়ের আসবাবপত্র ভাঙচুর এবং নথি নষ্টের অভিযোগ উঠেছে দলেরই বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন:
দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবে অস্বস্তিতে জেলা সিপিএম নেতৃত্ব। যদিও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করেননি তাঁরা। তাঁরা বলেন, ‘‘বাইরে থেকে কোনও প্ররোচনা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’
গন্ডগোলের কথা শুনে সাবিনাও বলেন, ‘‘মানুষ চেয়েছে বলে আমি প্রার্থী হয়েছি। দলের কর্মীরাও আমাকে দু’হাত তুলে স্বাগত জানিয়েছেন। এখানে কোনও ক্ষোভ-বিক্ষোভ নেই। বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্ররোচনায় কিছু অশান্তি হলেও হতে পারে।’’
অন্য দকে, কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান রুকবানুর রহমানের কটাক্ষ, ‘‘যে দল সাইনবোর্ডে পরিণত হয়েছে, তাদের অন্তর্দ্বন্দ্বেরও কোনও রাজনৈতিক প্রভাব নেই।’’