শর্তসাপেক্ষে অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপর হামলায় অভিযুক্ত তৃণমূলের কাউন্সিলর নাড়ুগোপাল ভকত। তবে ওই একই মামলায় বাকি তিন ধৃতের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত। তাঁদের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে মঙ্গলবার ধৃতদের আবার আদালতে হাজির করানোর নির্দেশ দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত সিজেএম।
অন্য দিকে, জামিনের শর্ত হিসাবে অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সপ্তাহে একদিন তদন্তকারী অফিসারের কাছে হাজিরা দিতে হবে। তা ছাড়াও মামলার নথিপত্র এবং সাক্ষীদের প্রভাবিত না করার শর্তও জামিনের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ২৭ এপ্রিল ভোরে বর্ধমানের সদরঘাট এলাকার বাড়ি থেকে কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, গত ২৪ মার্চ রাতে তেজগঞ্জ এলাকার এক বিজেপি কর্মীর বাড়িতে হামলার সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন। তাঁর নেতৃত্বেই হামলা চলে। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছোলে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী যায়। তাঁদের উপরেও হামলা চালানো হয়।
আরও পড়ুন:
ওই ঘটনায় বর্ধমান থানার অধীনস্থ নতুনগঞ্জ আউটপোস্টের ওসি বিশ্বনাথ দাস অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তার ভিত্তিতে বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু হয়। কাউন্সিলরকে গ্রেফতারের পর ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সঞ্জয় কর্মকার, করণ সাউ এবং শেখ ইসমাইলকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার জামিনের সওয়ালে কাউন্সিলরের আইনজীবী বলেন, ‘‘কাউন্সিলরের মেয়ের বিয়ে রয়েছে ৫ তারিখ। মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে বাবার উপস্থিতির প্রয়োজন।’’ সেই সংক্রান্ত প্রমাণ আদালতে পেশ করা হয়। সব দিক খতিয়ে দেখে কাউন্সিলরের শর্তাধীন জামিন মঞ্জুর করেন ভারপ্রাপ্ত সিজেএম।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত