মাঝে আর একটা দিন। তার পর বিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশ। শনিবার ২৯৪টি বিধানসভা আসনের দলীয় কাউন্টিং এজেন্টদের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক সারলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ‘সেনাপতি’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘণ্টা দেড়েকের বৈঠকে দলীয় নেতা-কর্মীদের গুচ্ছ পরামর্শ দিয়েছেন নেত্রী। তার মধ্যে রয়েছে, গণনাকেন্দ্রে আগেভাগে ঐক্যবদ্ধ ভাবে পৌঁছে যাওয়ার বার্তা। আবার গণনার সময় কোন কোন দিকে নজর রাখতে হবে, সেটাও জানিয়ে দিয়েছেন মমতা।
তৃণমূল সূত্রে খবর, নেত্রী বিশেষ ভাবে যে বিষয়টির উপর জোর দিয়েছেন, সেটা হল ভোটগণনার সময় নজরদারি। তিনি জানিয়েছেন, যে যে বুথে ৫০০-৭০০ বা হাজার ভোটে বিজেপি এগিয়ে যাচ্ছে, চটজলদি সেখানে পুনর্গণনার দাবি তুলতে হবে। তৃণমূলনেত্রী নিশ্চিত যে, দু’শোর বেশি আসনে জয়ী হবেন তাঁরা। কিন্তু তা বলে গণনার সময় যেন নজরদারি শিথিল না-হয়। আগামী ৪ মে, সোমবার যত ক্ষণ না তিনি নিজে সাংবাদিক বৈঠক করছেন, তত ক্ষণ দলের কোনও এজেন্ট যেন গণনাকেন্দ্র ছেড়ে না বেরিয়ে পড়েন।
শুধু তা-ই নয়, যেখানে গণনাকেন্দ্র গ্রামাঞ্চলে বা তুলনামূলক দূরবর্তী স্থানে, সেখানে যেন আগের রাতে অর্থাৎ রবিবারই পৌঁছে যান প্রার্থী, তাঁর এজেন্ট এবং কাউন্টিং এজেন্ট। তৃণমূলনেত্রীর নির্দেশ, গণনাকেন্দ্রের কাছাকাছি কোনও জায়গায় হোটেল ভাড়া করে রবিবার রাত কাটিয়ে দিতে হবে। ভোর হওয়ামাত্র হাতমুখ ধুয়ে খাওয়াদাওয়া সেরে বেরিয়ে পড়তে হবে গণনাকেন্দ্রের উদ্দেশে। সকাল ৮টা থেকে ভোটগণনা শুরু। তবে ৬টার মধ্যে যেন কাউন্টিং এজেন্টরা যেন গণনাকেন্দ্রে পৌঁছে যেন এবং তাঁরা যাতে সংঘবদ্ধ ভাবে যান, সেটা নিশ্চিত করতে বলেছেন মমতা। কাউন্টিং এজেন্টদের মমতার পরামর্শ, সঙ্গে নোটবুক বা ডায়েরি এবং কলম রাখতে হবে। ইভিএম খোলার সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনমতো সব কিছু যেন লিখে রাখেন।
আরও পড়ুন:
সূত্রের খবর, বৈঠকে পশ্চিম মেদিনীপুর এবং বাঁকুড়ার কয়েক জন তৃণমূল প্রার্থী জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা ইতিমধ্যে লজ, হোটেল ভাড়া করে ফেলেছেন। রবিবার রাতে সেখানেই থাকবেন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
১৯:২১
ইভিএম ‘পাহারায়’ তৎপরতা বিজেপিরও! রবিবার রাজ্যে সব স্ট্রংরুমের সামনে পদ্মশিবিরের মহিলা কর্মীরা বসছেন অবস্থানে -
১৬:৫২
‘কেন্দ্রীয় বাহিনীর অত্যাচার যাঁরা সয়েছেন, তাঁরা পুরস্কৃত হবেন’! বড় জয় নিয়ে প্রত্যয়ী মমতা ও অভিষেকের বার্তা দলীয় বৈঠকে -
১৫:৪০
আবার অশান্ত ফলতা! দফায় দফায় উত্তেজনা, পুনর্নির্বাচনের দাবি তুললেন গ্রামবাসীদের একাংশ, রিপোর্ট তলব কমিশনের -
১০:৩১
নিজেদের বিজ্ঞপ্তি মেনে কাজ করবে কমিশন! প্রয়োজন নেই অতিরিক্ত নির্দেশের, তৃণমূলের মামলায় বলে দিল সুপ্রিম কোর্ট -
০৫:০১
১৫ বুথের পুনর্নির্বাচনে ভোটদানের হার ছুঁয়ে ফেলল ৯০ শতাংশ, মোটের উপর ভোটগ্রহণ পর্ব শান্তিপূর্ণ