কেউ সবে ভোট দিয়েছিলেন, কেউ যাচ্ছিলেন ভোট দিতে, কেউ ছিলেন লাইনে। রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচনের দিন, বৃহস্পতিবার এমনই সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। একটি ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগও উঠেছে।
বাঁকুড়ার জয়পুরের কাশিচটা গ্রামের বৃদ্ধ কাশেম চৌধুরী (৬৫) এক আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে কোতুলপুর কেন্দ্রের জগন্নাথপুর বুথে ভোট দিতে যান। কেন্দ্রীয় বাহিনী সঙ্গীতে আপত্তি জানানোয় বচসা বাধে। অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন কাশেম। স্থানীয়েরা প্রশাসনের গাড়িতে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আর্জি জানান। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনী ‘জিপিএস’ লাগানো আছে বলে গাড়ি দিতে অস্বীকার করে। পরে, রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী বৃদ্ধকে বিষ্ণুপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মৃতের নাতি সওকত আলি চৌধুরী বলেন, “দাদু অসুস্থ ছিলেন। তাই সঙ্গে এক জন গিয়েছিলেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনী মানেনি। সময়ে গাড়ি পাওয়া গেলে দাদু হয়তো বেঁচে যেত।”
মালদহের মালতীপুর বিধানসভার কান্ডারন বুথে ইভিএমের বোতামে চাপ দেওয়ার পরেই লুটিয়ে পড়েন প্রমীলা বাগদি (৪৬)। উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখরের বুথে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে মৃত্যু হয় দুলাল ওঁরাও (৬২)-এর। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে মৃত্যু হয় দু’জনের। পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের নৃপেন্দ্র দাস (৬২) ভোট দিতে গিয়ে মারা যান। বীরভূমের সিউড়ির ডাঙালপাড়ার অসীম রায় (৬৪) মারা যান। চিকিৎসকদের অনুমান, ‘হিট স্ট্রোক’-এ মৃত্যু।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)