রাজ্যের ভোটে নজরদার এনআইএ-র সাতটি দলও

প্রশাসন সূত্রের দাবি, এনআইএ-র সাতটি দল রাজ্যে কাজ করছে। এক-একটি দলে দু’-তিনজন করে অফিসার আছেন। হুগলি, নদিয়া, বর্ধমান, ব্যারাকপুর কমিশনারেট, ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় এনআইএ-র দল গিয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ০৫:২৮

—প্রতীকী চিত্র।

ভোটের প্রাক্কালে বোমা-গুলি খুঁজতে কলকাতা-সহ বিভিন্ন জেলায় নেমে পড়েছে এনআইএ-র দল। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার থেকেই বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের দল ঘুরেছে। যে সব এলাকায় অতীতে বোমাবাজি বা হাঙ্গামার অভিযোগ আছে সেখানেই গিয়েছে দলটি। সাম্প্রতিক কালে বোমা বা বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে কি না, সে ব্যাপারেও খোঁজ খবর নিয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। স্থানীয় থানাগুলির সঙ্গে কথাও বলেন তাঁরা।

প্রশাসন সূত্রের দাবি, এনআইএ-র সাতটি দল রাজ্যে কাজ করছে। এক-একটি দলে দু’-তিনজন করে অফিসার আছেন। হুগলি, নদিয়া, বর্ধমান, ব্যারাকপুর কমিশনারেট, ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় এনআইএ-র দল গিয়েছে। কলকাতা পুলিশ এলাকার ভাঙড়, আনন্দপুর, কসবায় এনআইএ-র দল গিয়েছিল বলে খবর। ভোটের আগের দিন এনআইএ-র আগমন বিশেষ ‘তাৎপর্যপূর্ণ’ বলে মনে করছে পুলিশের একাংশ। ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত ওই এলাকাগুলিতে এনআইএ-র দল থাকবে বলে খবর।

এনআইএ সূত্রের খবর, ভাঙড়ে বারবার গুলি-বোমা চলছে। গত সপ্তাহে ভাঙড়ে বোমা উদ্ধারের তদন্তও এনআইএ-র হাতে আছে। আনন্দপুর এবং কসবায় কয়েক মাসে আগে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছিল। মঙ্গলবার রাতে আনন্দপুর থানার গুলশন কলোনিতে এনআইএ-র দল গিয়েছিল। প্রশাসন সূত্রের খবর, প্রথম দফার ভোট মোটের উপরে শান্তিতেই হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় যাতে অশান্তি না-হয় সে ব্যাপারে জোর দেওয়া হচ্ছে। যদিও ভোটের আগেই জগদ্দলে গুলি চলেছে। আহত হয়েছেন এক কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। আরও কিছু এলাকায় হুমকি-ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। তবে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, রাজ্যে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী কাজ করছে। তারপরেও এনআইএ-র আগমনের কারণ কী? এনআইএ-র আগমন নিয়ে পুলিশের একাংশ অসন্তোষও প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, এনআইএ-র দল এনে পুলিশের কাজে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে।

এ দিন সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত বর্ধমান শহর ও লাগোয়া এলাকা পরিদর্শন করেছে এনআইএ-র তিন সদস্যের দল। সূত্রের খবর, দলটি প্রথমে এসপি-র সঙ্গে দেখা করে। পরে খাগড়াগড়ে যায়। ২০১৪ সালে যে বাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটেছিল, সেই এলাকা ঘুরে দেখে। কথা বলে ওই বাড়ির সদস্যের সঙ্গে। এর পরে বর্ধমান শহরের নানা জায়গায় যায় দলটি। বহিরাগতদের এলাকায় যাতায়াত আছে কি না, অশান্তির পরিবেশ রয়েছে কি না, কেউ হুমকি দিচ্ছে কি না, এলাকাবাসীর কাছে সে সব জানতে চান দলের সদস্যেরা।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

NIA

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy