ব্যারাকপুরে তৃণমূল প্রার্থী সুবোধ অধিকারীকে মারধরের অভিযোগ উঠল বিজেপির কাউন্টিং এজেন্টের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের কাছে সেই অভিযোগ জমা পড়েছে। অন্য দিকে, ক্যানিং পূর্বের বিজেপি প্রার্থী অসীম সাঁপুইকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। দু’টি ঘটনাতেই নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে। কমিশন ইতিমধ্যেই দু’টি ঘটনায় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে। এ ছাড়াও কোচবিহারের দিনহাটায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগও এসেছে নির্বাচন কমিশনের কাছে।
কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, এই ধরনের ঘটনা কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। কোনও অশান্তি যাতে না ঘটে, তা পুলিশকে দেখতে হবে। বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক এনকে মিশ্রকে এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে বলেছে কমিশন। এ ছাড়াও জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (ডিইও)-কেও বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের স্পষ্ট বক্তব্য, যে কেউ জিততে পারেন। কিন্তু কোনও রকম অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না। কমিশন আরও জানিয়েছে, তৃণমূল যদি তাদের কাছে অভিযোগ জানায়, প্রতিটি ঘটনায় পদক্ষেপ করা হবে।
প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের ফলের প্রবণতায় (বেলা ১:১৫ পর্যন্ত) দেখা যাচ্ছে বিজেপি ১৯২টি আসনে এগিয়ে। প্রাথমিক প্রবণতা স্পষ্ট হতেই দিকে দিকে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের উল্লাস শুরু হয়েছে। কিন্তু তার মধ্যেই দুই ২৪ পরগনায় দুই ভিন্ন দলের প্রার্থীকে হেনস্থার অভিযোগ উঠল। উল্লেখ্য, সোমবার সকালে রাজ্যে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ অগ্রবাল সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ‘‘ভোটারদের হাতজোড় করে অনুরোধ করছি, আপনারা কোথাও কোনও অশান্তি করবেন না। ফলাফল যা-ই হোক।’’