স্ট্রং রুমে যখন তখন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সিসিটিভি। দিনে এমনটা বার কয়েক হয়েছে। কিন্তু কেন এমন হবে? প্রশ্ন তুলে কোচবিহার পলিটেকনিক কলেজে অবস্থিত স্ট্রং রুমের সামনে রাস্তায় বিক্ষোভ দেখাল তৃণমূল। শাসক শিবিরের আশঙ্কা, এটি ইভিএম কারচুপির পন্থাও হতে পারে। যা নিয়ে খোঁচা দিয়েছে বিজেপি।
শুক্রবার সন্ধ্যায় কোচবিহার জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিক কর্মীদের নিয়ে স্ট্রং রুমের সামনে বিক্ষোভের সময় দাবি করেছেন, কোচবিহার উত্তর এবং দক্ষিণ কেন্দ্রের স্ট্রং রুম যেখানে, সেখানকার সিসিটিভি কাজ করছে না। তিনি বলেন, ‘‘সিসি ক্যামেরার দৃশ্য দেখানোর জন্য মনিটর রয়েছে। আমরা দেখলাম, সারাদিনে বেশ কয়েক বার ক্যামেরার ফুটেজ নেই।’’ সেই কারণে অভিজিতের সন্দেহ, নির্বাচন কমিশনই ইভিএম কারচুপি করছে। যদিও বিজেপির দাবি, হার নিশ্চিত বুঝে নাটক করছেন তৃণমূল প্রার্থী। কমিশনের তরফে তৃণমূলের তোলা অভিযোগের সরকারি কোনও বিবৃতি মেলেনি।
তৃণমূল প্রার্থী অভিজিৎ বলেন, ‘‘যে যে সময়ে সিসিটিভি বন্ধ ছিল, সেই সময়ে ইভিএমের মেমোরি কার্ড পরিবর্তন করা হতে পারে। কিন্তু সিসিটিভি বন্ধ থাকায় স্বচ্ছতার অভাব দেখা দিয়েছে। আমরা দাবি করেছি, যে সময়টুকু সিসিটিভি বন্ধ ছিল, সেই সময়কার ফুটেজও যেন থাকে এবং সেটা আমাদের দেখাতে হবে।’’ তৃণমূলের কয়েক জন নেতার অভিযোগ, শুধু কোচবিহার উত্তর এবং দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের স্ট্রং রুমেই নয়, তুফানগঞ্জে অবস্থিত নাটাবাড়ি এবং তুফানগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের স্ট্রং রুমের সিসি ক্যামেরাও দীর্ঘ ক্ষণ বন্ধ ছিল।
আরও পড়ুন:
তবে তৃণমূলের অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ পদ্মশিবির। বিজেপির জেলা সভাপতি অভিজিৎ বর্মন বলেন, ‘‘সিসিটিভি বন্ধ ছিল কি না, তা জানা নেই। এটা নির্বাচন কমিশনের দেখার বিষয়। কিন্তু এই তৃণমূলই তো বৃহস্পতিবার ভোট শেষ হওয়ার পরে ফল ঘোষণার অপেক্ষা না করে বিজয়োল্লাস করেছে। এখন তারাই ইভিএম কারচুপির অভিযোগ করছে!’’ তাঁর কটাক্ষ, ‘‘অভিজিৎ দে ভৌমিক বুঝে গিয়েছেন, তাঁদের পরাজয় নিশ্চিত। তাই এখন থেকেই অজুহাত খাড়া করছেন।’’