• নিজস্ব প্রতিবেদন
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

বাবরি-বিতর্কের ইতিহাস

৬ ডিসেম্বর, ১৯৯২। অযোধ্যায় উন্মত্ত রামভক্তদের হামলায় গুঁড়িয়ে গিয়েছিল শতাব্দীপ্রাচীন বাবরি মসজিদ। তার জেরে দেশ জুড়ে গোষ্ঠী সংঘর্ষে মারা যান প্রায় আঠারোশো জন। আজ, বুধবার ২৮ বছর পর মসজিদ ধ্বংসের সেই মামলার রায় ঘোষণা করবে লখনউয়ের বিশেষ সিবিআই আদালত। এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে যদিও অযোধ্যায় বিতর্কিত জমির মালিকানা মামলার নিষ্পত্তি করেছে সুপ্রিম কোর্ট।

ওই দিন বাবরি মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর দু’টি এফআইআর দায়ের হয়। অজ্ঞাতপরিচয় করসেবকদের বিরুদ্ধে একটি আর অন্যটি লালকৃষ্ণ আডবাণী, অশোক সিঙ্ঘল, বিনয় কাটিয়ার, উমা ভারতী, সাধ্বী ঋতম্ভরা, মুরলীমনোহর জোশী, গিরিরাজ কিশোর, বিষ্ণু হরি ডালমিয়াদের বিরুদ্ধে। ওই মামলায় মোট ৪৯ জন অভিযুক্তের মধ্যে ১৭ জন মারা গিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা অশোক সিঙ্ঘল, গিরিরাজ কিশোর, বিষ্ণুহরি ডালমিয়া রয়েছেন। জীবিত আছেন লালকৃষ্ণ আডবাণী, মুরলিমনোহর জোশী, উমা ভারতীরা। ৮৯৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩৪ জন মৃত। অনেকে নিখোঁজ।

১৫২৭ থেকে ২০২০— বাবরি মসজিদ নিয়ে যাবতীয় তথ্য এক ঝলকে দেখে নিন এখানে।

আরও পড়ুন: বাবরি মসজিদ নির্মাণ থেকে ধ্বংস, পাঁচ শতকের সালতামামি

আরও পড়ুন: অবশেষে কাল বাবরি ধ্বংস মামলার রায়, চার নজরে ২৮ বছর

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন