Advertisement
E-Paper

হুইস্কি হোক বা বিয়ার, সব মদের রয়েছে নির্দিষ্ট গ্লাস, ভুল গ্লাসে মদ্যপান করছেন না তো?

মদের যেমন নানা রকমের ব্র্যান্ড আছে, তেমন যে গ্লাসে মদ্যপান করা হয় হয়, সেগুলিরও নিজস্ব নাম আছে। জেনে নেওয়া যাক, কোন গ্লাসে কী মদ পরিবেশন করা হয়, সেগুলির নামই বা কী।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১১:৩৩
মদের যেমন নানা রকমের ব্র্যান্ড আছে, তেমন যে গ্লাসে মদ্যপান করা হয় হয়, সেগুলিরও নিজস্ব নাম আছে।
০১ / ১৪

মদের যেমন নানা রকমের ব্র্যান্ড আছে, তেমন যে গ্লাসে মদ্যপান করা হয় হয়, সেগুলিরও নিজস্ব নাম আছে।

অনেকেই মদ্যপান করেন। বড় বড় বার বা রেস্তরাঁয় যখন গ্রাহকদের মদ পরিবেশন করা হয়, গ্লাসের আকারের বিষয়টি খুব কম জনই খেয়াল করেন।
০২ / ১৪

অনেকেই মদ্যপান করেন। বড় বড় বার বা রেস্তরাঁয় যখন গ্রাহকদের মদ পরিবেশন করা হয়, গ্লাসের আকারের বিষয়টি খুব কম জনই খেয়াল করেন।

জেনে নেওয়া যাক, কোন গ্লাসে কী মদ পরিবেশেন করা হয়, সেগুলির নামই বা কী।
০৩ / ১৪

জেনে নেওয়া যাক, কোন গ্লাসে কী মদ পরিবেশেন করা হয়, সেগুলির নামই বা কী।

রাম, হুইস্কি বা বিয়ার যা-ই পান করা হোক না কেন, প্রতিটি পানীয়র জন্য আলাদা আলাদা গ্লাস রয়েছে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সাধারণ কাচের গ্লাসেই অনেকে মদ্যপান করেন। বা ছোটখাট বারগুলিতে সাধারণ কাচের গ্লাসেই মদ বা বিয়ার পরিবেশন করা হয়।
০৪ / ১৪

রাম, হুইস্কি বা বিয়ার যা-ই পান করা হোক না কেন, প্রতিটি পানীয়র জন্য আলাদা আলাদা গ্লাস রয়েছে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সাধারণ কাচের গ্লাসেই অনেকে মদ্যপান করেন। বা ছোটখাট বারগুলিতে সাধারণ কাচের গ্লাসেই মদ বা বিয়ার পরিবেশন করা হয়।

রেড ওয়াইন গ্লাস: সাধারণত রেড ওয়াইনের জন্য ব্যবহৃত গ্লাসের আকার লম্বা হয়। মুখ বড় হয়। গ্লাসের এ রকম আকার হওয়ার নেপথ্য কারণ হল, ওয়াইনের গন্ধ যেন বেশি সময় ধরে থাকে। কেননা, ওয়াইন খুব ছোট ছোট চুমুকে খাওয়া হয়।
০৫ / ১৪

রেড ওয়াইন গ্লাস: সাধারণত রেড ওয়াইনের জন্য ব্যবহৃত গ্লাসের আকার লম্বা হয়। মুখ বড় হয়। গ্লাসের এ রকম আকার হওয়ার নেপথ্য কারণ হল, ওয়াইনের গন্ধ যেন বেশি সময় ধরে থাকে। কেননা, ওয়াইন খুব ছোট ছোট চুমুকে খাওয়া হয়।

হোয়াইট ওয়াইন গ্লাস: রেড ওয়াইন গ্লাসের তুলনায় হোয়াইট ওয়াইনের গ্লাস আকারে ছোট। হোয়াইট ওয়াইন যাতে তাড়াতাড়ি অক্সিডাইজ না হয়ে যায়, ওয়াইনের স্বাদ যেন ঠিক থাকে তাই গ্লাসের মুখও ছোট রাখা হয়।
০৬ / ১৪

হোয়াইট ওয়াইন গ্লাস: রেড ওয়াইন গ্লাসের তুলনায় হোয়াইট ওয়াইনের গ্লাস আকারে ছোট। হোয়াইট ওয়াইন যাতে তাড়াতাড়ি অক্সিডাইজ না হয়ে যায়, ওয়াইনের স্বাদ যেন ঠিক থাকে তাই গ্লাসের মুখও ছোট রাখা হয়।

ফ্লুট গ্লাস: এই গ্লাসও ওয়াইন পরিবারের সদস্য। এই গ্লাস আকারে লম্বা এবং পাতলা হয়। এই ধরনের গ্লাসে সাধারণত স্পার্কলিং ওয়াইন এবং শ্যাম্পেন পান করা হয়।
০৭ / ১৪

ফ্লুট গ্লাস: এই গ্লাসও ওয়াইন পরিবারের সদস্য। এই গ্লাস আকারে লম্বা এবং পাতলা হয়। এই ধরনের গ্লাসে সাধারণত স্পার্কলিং ওয়াইন এবং শ্যাম্পেন পান করা হয়।

বিয়ার মগ: বেশির ভাগ সময় বিয়ার সাধারণ কাচের গ্লাসেই পান করা হয়। তবে বিয়ারের জন্য নির্দিষ্ট গ্লাস আছে, যেটিকে বিয়ার মগ বলে। আকারে বেশ বড় হয় এই গ্লাস। ফলে সহজে গরম হয় না বিয়ার।
০৮ / ১৪

বিয়ার মগ: বেশির ভাগ সময় বিয়ার সাধারণ কাচের গ্লাসেই পান করা হয়। তবে বিয়ারের জন্য নির্দিষ্ট গ্লাস আছে, যেটিকে বিয়ার মগ বলে। আকারে বেশ বড় হয় এই গ্লাস। ফলে সহজে গরম হয় না বিয়ার।

পয়েন্ট গ্লাস: এই গ্লাসেও বিয়ার পরিবেশন করা হয়ে থাকে। এর আকার সিলিন্ডারের মতো। গ্লাসের উপরিভাগ চওড়া, নীচের অংশটি সরু হয়।
০৯ / ১৪

পয়েন্ট গ্লাস: এই গ্লাসেও বিয়ার পরিবেশন করা হয়ে থাকে। এর আকার সিলিন্ডারের মতো। গ্লাসের উপরিভাগ চওড়া, নীচের অংশটি সরু হয়।

হুইস্কি গ্লাস: হুইস্কির জন্য এই গ্লাস বেশ জনপ্রিয়। বার বা পাবে হুইস্কির জন্য এই গ্লাসই ব্যবহার করা হয়। এই গ্লাস মোটা কাচের আর ভারী হয়।
১০ / ১৪

হুইস্কি গ্লাস: হুইস্কির জন্য এই গ্লাস বেশ জনপ্রিয়। বার বা পাবে হুইস্কির জন্য এই গ্লাসই ব্যবহার করা হয়। এই গ্লাস মোটা কাচের আর ভারী হয়।

মার্টিনি গ্লাস: ইংরেজি হরফের 'ভি' আকৃতির এই গ্লাসে মার্টিনি পরিবেশন করা হয়। এই গ্লাস সাধারণত ককটেল গ্লাসের তুলনায় আকারে ছোট হয়।
১১ / ১৪

মার্টিনি গ্লাস: ইংরেজি হরফের 'ভি' আকৃতির এই গ্লাসে মার্টিনি পরিবেশন করা হয়। এই গ্লাস সাধারণত ককটেল গ্লাসের তুলনায় আকারে ছোট হয়।

হারিকেন গ্লাস: আমেরিকার নিউ অর্লিনসের এক রেস্তরাঁ মালিক প্যাট ও’ব্রায়েন এই গ্লাসের আবিষ্কর্তা। ৪০-এর দশকে এই গ্লাস ব্যবহার শুরু হয়। অনেকটা হারিকেনের মতো আকার বলে এই গ্লাসের নাম হারিকেন গ্লাস। এই গ্লাসে হারিকেন ককটেল পান করা হয়।
১২ / ১৪

হারিকেন গ্লাস: আমেরিকার নিউ অর্লিনসের এক রেস্তরাঁ মালিক প্যাট ও’ব্রায়েন এই গ্লাসের আবিষ্কর্তা। ৪০-এর দশকে এই গ্লাস ব্যবহার শুরু হয়। অনেকটা হারিকেনের মতো আকার বলে এই গ্লাসের নাম হারিকেন গ্লাস। এই গ্লাসে হারিকেন ককটেল পান করা হয়।

স্নিফটার গ্লাস: এই গ্লাসের আকার ছোট, পেটের দিকটা মোটা। মুখটা সরু। এই গ্লাসে সাধারণত ব্র্যান্ডি এবং হুইস্কি পরিবেশন করা হয়।
১৩ / ১৪

স্নিফটার গ্লাস: এই গ্লাসের আকার ছোট, পেটের দিকটা মোটা। মুখটা সরু। এই গ্লাসে সাধারণত ব্র্যান্ডি এবং হুইস্কি পরিবেশন করা হয়।

মার্গারিটা গ্লাস: মার্গারিটা এবং তাকিলা জাতীয় পানীয় পরিবেশন করা হয় এই গ্লাসে।
১৪ / ১৪

মার্গারিটা গ্লাস: মার্গারিটা এবং তাকিলা জাতীয় পানীয় পরিবেশন করা হয় এই গ্লাসে।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও গ্যালারি

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy