সৌদি আরবের সঙ্গে হওয়া ‘কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি’তে তুরস্ককে অন্তর্ভুক্ত করতে মরিয়া পাকিস্তান। শুধু তা-ই নয়, পরমাণু অস্ত্রের নিরাপত্তার টোপ দিয়ে মুসলিম দেশগুলির জোট ‘ইসলামীয় নেটো’ তৈরির স্বপ্ন দেখছেন রাওয়ালপিন্ডির ফৌজি জেনারেলরা। ইসলামাবাদের এ-হেন উচ্চাশার চরম মূল্য দেবে রিয়াধ? রাতারাতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজ়রায়েলের মতো শক্তিশালী রাষ্ট্রের কট্টর শত্রুতে পরিণত হবে ওই উপসাগরীয় আরব মুলুক? পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফের ‘তুর্কি প্রেমে’ বাড়ছে সেই জল্পনা।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের দাবি, পাক-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে আঙ্কারা ঢুকলে কাগজে-কলমে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি পাবে রিয়াধের। তবে সংশ্লিষ্ট সমঝোতার বেশ কয়েকটি বিপজ্জনক দিক রয়েছে। প্রথমত, এর জেরে নিরাপত্তার ভরকেন্দ্র আর পশ্চিম এশিয়ার উপসাগরে আটকে থাকবে না। ফলে ইচ্ছা না থাকলেও ভূমধ্যসাগরীয় এলাকার সংঘাতে জড়াতে হতে পারে সৌদি সরকারকে। সেটাই আরব মুলুকটির যুবরাজ তথা প্রধানমন্ত্রী মহম্মদ বিন সলমনের কপালের ভাঁজকে চওড়া করেছে।