গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
স্নাতকস্তর থেকেই পড়াশোনার সঙ্গে স্থানীয় ভাষা বা সংস্কৃতি নিয়ে চর্চার সুযোগ পাওয়া যায়। একই সঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দক্ষতার বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি বা কোর্সের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। সেই সমস্ত কোর্সের বিষয়, কোথায় করানো হয়, কী ভাবে ক্লাস হয়, কত খরচ হয়— সে সম্পর্কিত বিশদ তথ্য দেওয়া হল।
ব্যবসায় কৃত্রিম মেধার প্রয়োগ:
কৃত্রিম মেধার সাহায্যে ব্যবসার উন্নতিও সম্ভব। ছোট থেকে বড়— সব ধরনের ব্যবসার ক্ষেত্রে ওই প্রযুক্তিকে কী ভাবে কাজে লাগানো যেতে পারে, তা শেখাবেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে জেনারেটিভ এআই, মেশিন লার্নিং, ডিপ লার্নিং-এর মতো বিষয়গুলিও শেখার সুযোগ পাওয়া যাবে।
ম্যানুফ্যাকচারিং-এর কাজে মেশিন লার্নিং-এর ব্যবহার:
সামগ্রী উৎপাদনের কাজে গতি আনতে মেশিন লার্নিং এবং কৃত্রিম মেধা ব্যবহারের কৌশল শেখার সুযোগ। এ ছাড়াও অটোমেশনের কাজ করার জন্য ওই প্রযুক্তির খুঁটিনাটি জানা আবশ্যক। সবটাই বিশেষ কোর্সের মাধ্যমে শেখানো হবে।
শিক্ষকতায় কৃত্রিম মেধার প্রয়োগ:
উচ্চ শিক্ষায় কৃত্রিম মেধা কী ভাবে শিক্ষক-শিক্ষিকারা ব্যবহার করবেন, তার বিশদ শেখানো হবে। এ ছাড়াও নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কেও খুঁটিনাটি শেখার সুযোগ থাকছে।
হাতে কলমে প্রকল্পের কাজ শেখা:
হাতেকলমে বায়োটেকনোলজির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রকল্পের কাজ করার পদ্ধতি শেখানো হবে। এ ছাড়াও গবেষণাগারের বিভিন্ন যন্ত্র ওই কাজের জন্য কী ভাবে ব্যবহার করা উচিত, তা-ও শেখাবেন বিশেষজ্ঞেরা।
শিক্ষাদানের পদ্ধতি নিয়ে চর্চা:
সাম্প্রতিক পরিস্থিতির বিচারে শিক্ষাদানের পদ্ধতিতে বদল এসেছে। সেই বিষয় নিয়ে বিশেষ আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়েছে। তাতে আন্তর্জাতিক এবং জাতীয় স্তরে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক, সামাজিক পরিবর্তনের প্রভাব কতটা, তা নিয়েও চর্চা চলবে।
এ ছাড়াও সম্প্রতি জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সম্প্রতি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স কমিউনিকেশন অ্যান্ড পলিসি রিসার্চ-এর একটি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। ওই দু’সংস্থার যৌথ উদ্যোগে বিপর্যয় মোকাবিলা বিষয়ে পিএইচডি কোর্স চালু হতে চলেছে। পড়ুয়ারা হাতেকলমে প্রশিক্ষণের সঙ্গে গবেষণার কাজ করারও সুযোগ পাবেন।