নাকছাবি পরতে অনেকেই পছন্দ করেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে
মহিলাদেরই এই অলঙ্কার পরতে দেখা যায়। কিন্তু আজকাল বহু পুরুষও নাকছাবি পরে থাকেন।
ঠাকুরমা-দিদিমাদের কাছে যদিও এই গয়না মহিলাদের জন্যই বরাদ্দ। তাঁরা মনে করেন,
প্রত্যেক মেয়ের নাক ফোটানো উচিত। এর ফলে নাকি বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কের
বন্ধন দৃঢ় হয়। যদিও এমন কোনও কথার উল্লেখ শাস্ত্রে পাওয়া যায় না। তবে নাকছাবি
পরার অন্যান্য নানা গুণাগুণ রয়েছে। এ ছাড়া নাকের কোন দিকে নাকছাবি পরা উচিত তা
নিয়েও শাস্ত্রে নিদান দেওয়া রয়েছে। সে
সম্বন্ধে জেনে নিন।
নাকছাবি নিয়ে জ্যোতিষশাস্ত্রে কী বলা রয়েছে?
- শাস্ত্রমতে, আমাদের নাকের সঙ্গে শুক্র গ্রহের সম্পর্ক রয়েছে।
নাকছাবি পরার ফলে শুক্র গ্রহ শক্তিশালী হয় বলে মনে করা হয়। এর ফলে জীবনে আর্থিক
সুখ লাভ করা যায়। প্রেম-ভালবাসার ক্ষেত্রেও শুভ ফলপ্রাপ্তি হয়।
- প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, যে সকল মেয়ে নাকছাবি পরেন
তাঁদের আবেগের উপর খুব ভাল নিয়ন্ত্রণ থাকে। এঁদের আত্মবিশ্বাস হয় চোখে পড়ার মতো। ধীর-স্থির
স্বভাবের হয়ে থাকেন। ধৈর্য হয় বেশি।
- সোনার তৈরি নাকছাবি পরা অত্যন্ত শুভ। অনেকেই রুপোর নাকছাবি
পরেন। কিন্তু সোনার তৈরি নাকছাবিকেই শ্রেষ্ঠ মনে করছেন জ্যোতিষীগণ। শাস্ত্রমতে,
সোনার তৈরি নাকছাবি পরলে সফলতা প্রাপ্তিতে সুবিধা হয়। সাহসও বৃদ্ধি পায়।
- অনেকেই পাথর বসানো নাকছাবি পরতে ভালবাসেন। এ ক্ষেত্রে হিরে,
মুক্তো বা সাদা রঙের যে কোনও পাথর বসানো নাকছাবি পরা যেতে পারে।
- শাস্ত্রমতে বিশ্বাস করা হয়, নেগেটিভ শক্তি থেকে বাঁচাতে
সাহায্য করে নাকছাবি। নজরদোষ, অশুভ শক্তি প্রভৃতিকে নাকছাবি দূরে রাখতে কার্যকরী।
- অনেকেই নাকের ডান দিকে নাকছাবি পরেন। কিন্তু শাস্ত্রমতে,
নাকছাবি পরার জন্য শ্রেষ্ঠ হচ্ছে নাকের বাঁ দিক। এর ফলে নানা দিক থেকে উন্নতি লাভ
করা যায়। তবে ডান দিকে নাকছাবি পরায় কোনও বিধিনিষেধের উল্লেখ নেই শাস্ত্রে।