Tips To Please Shanidev

সাড়েসাতির থেকেও ভয়ঙ্কর শনির মহাদশা, চলে ১৯ বছর! কোন লক্ষণগুলি দেখতে সতর্ক হবেন? প্রতিকার কী?

মহাদশা চলাকালীন সময়কালকে জীবনের সবচেয়ে কঠিন পর্যায় বললেও ভুল কিছু বলা হবে না। কর্মকারক শনি এই সময় অতীত ও বর্তমান জীবনের কর্ম অনুসারে জাতককে ফল দেন। নানা দিক থেকে বাধার সম্মুখীন হতে হয়। ধৈর্যের পরীক্ষা নেন শনিদেব।

Advertisement

বাক্‌সিদ্ধা গার্গী

শেষ আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:৫৮
Share:

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

শনির নাম শুনলেই মনে শঙ্কার সৃষ্টি হয়। সেটি হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। শনির দশা আসলেই ভয়ঙ্কর। যে ব্যক্তি শনির কুদৃষ্টির প্রভাবে পড়েন, তিনি-ই জানেন এর প্রভাবে জীবনে কত দিক থেকে সমস্যায় পড়তে হয়। শাস্ত্রে শনির নানা খারাপ দশার উল্লেখ পাওয়া যায়। সেগুলির মধ্যে অন্যতম শনির মহাদশা। শাস্ত্রমতে, শনির মহাদশা টানা ১৯ বছর স্থায়ী হয়। মহাদশা চলাকালীন সময়কালকে জীবনের সবচেয়ে কঠিন পর্যায় বললেও ভুল কিছু বলা হবে না। কর্মকারক শনি এই সময় অতীত ও বর্তমান জীবনের কর্ম অনুসারে জাতককে ফল দেন। নানা দিক থেকে বাধার সম্মুখীন হতে হয়। ধৈর্যের পরীক্ষা নেন শনিদেব। পরিশ্রম করলেও মনোমতো ফলপ্রাপ্তি হয় না, দায়িত্ব বৃদ্ধি পায় কিন্তু জীবনের গতি কমে যায়, একাকিত্ব ও মানসিক চাপ সর্ব ক্ষণের সঙ্গী হয়। জীবনে কোন লক্ষণগুলি দেখলে বুঝবেন যে আপনার শনির মহাদশা চলছে এবং বাঁচতে কী উপায় মানবেন, জেনে নিন।

Advertisement

শনির মহাদশার লক্ষণ:

  • হঠাৎই আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। প্রচুর পরিশ্রম করেও আয়বৃদ্ধি ঘটে না। ব্যয় বাড়তে থাকে কিন্তু আয় একই থেকে যায়, অনেকের ক্ষেত্রে তা কমতেও দেখা যায়।
Advertisement
  • ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের কর্মীদের সঙ্গে বনিবনা খারাপ হতে থাকে। এর ফলে ব্যবসায় ক্ষতি দেখা যায়।
  • সফলতার পথে বারবার বাধার সম্মুখীন হতে হয়। কঠোর পরিশ্রমও বিফলে যায়।
  • মানসিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়। বন্ধুবিচ্ছেদ ঘটে, সকলের সঙ্গে ঝগড়া-অশান্তি লেগেই থাকে। উদ্বেগ বৃদ্ধি পায়।

প্রতিকার:

  • শনিবার করে নিরামিষ আহার গ্রহণ আবশ্যিক। শনিবার সন্ধ্যায় কোনও শনি মন্দিরে গিয়ে কালো তিল সহযোগে সর্ষের তেলের প্রদীপ জ্বালুন। অশ্বত্থগাছের তলায়ও প্রদীপ জ্বালাতে পারেন।
  • শনি মন্দিরে কালো তিল ও লোহা দান করুন। মনে রাখবেন, শনিদেব সংক্রান্ত যে কোনও কাজ সূর্যাস্তের পরবর্তী সময় করতে হবে। আকাশে সূর্যের আলো থাকাকালীন সময়ে করা যাবে না।
  • এই সময় ধৈর্য ধরে পরিস্থিতির মোকাবিলা করার চেষ্টা করুন। সততার সঙ্গে শনিদেবের উপর বিশ্বাস রেখে পরিশ্রম করে চলুন। সহজ পথ বেছে নিয়ে আয় বাড়াতে যাবেন না। এতে সমস্যা বাড়বে বই কমবে না।
  • খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন। অপ্রয়োজনীয় ব্যয় এড়িয়ে চলুন।
  • রাগ ও আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। এই সময় কারও সঙ্গে ঝামেলায় জড়ানো যাবে না। কোনও মতে কাউকে অসম্মান করে বা দুঃখ দিয়ে কোনও কথা বলা বা কাজ করা যাবে না। জীবন যতই কঠিন হোক, অপরের প্রতি সহমর্মিতা ও সম্মান হারানো যাবে না।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement