—প্রতীকী ছবি।
সুখী দাম্পত্যজীবন সকলেরই কাম্য। কিন্তু সকলের ভাগ্যে সেই সুখ জোটে না। কিছু দম্পতির ক্ষেত্রে দেখা যায় যে বিয়ের বহু বছর পরেও সুন্দর সম্পর্ক রয়েছে, স্বাভাবিক ছন্দে দাম্পত্যজীবন কাটাচ্ছেন। তেমনই অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, বিয়ের কয়েক মাস, বড়জোর কয়েক বছর কাটতে না কাটতেই ছন্দপতন ঘটছে। সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব হচ্ছে না বলে কোনও রকমে জোড়াতালি দিয়ে সংসার করছেন। অনেক সময় আবার আর চালাতে না পেরে বিচ্ছেদের পথই বেছে নেন বহু দম্পতি।
নাড়িজ্যোতিষ মতে, স্বামী হলেন মঙ্গল এবং স্ত্রী হলেন শুক্র। বিয়ে সংক্রান্ত যে কোনও বিচারের ক্ষেত্রে মহিলা এবং পুরুষ, উভয়েরই জন্মপত্রিকার মঙ্গল এবং শুক্র গ্রহের বিচার করা জরুরি। সম্পর্ক প্রীতিকর হবে কি না, তা দেখার জন্য প্রথমেই উভয়ের জন্মছকে মঙ্গল এবং শুক্রের অবস্থান দেখা প্রয়োজন।
দাম্পত্য সম্পর্ক সুখী হওয়ার অন্যতম কারণ সুখী যৌন সম্পর্ক। অন্যান্য বিষয়ে যতই মিল থাক, যৌন সম্বন্ধ প্রীতিকর না হলে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক প্রগাঢ় হয় না এবং সুস্থ সন্তানের জন্মদানের ক্ষেত্রেও সমস্যা সৃষ্টি হয়।
এই বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসতে গেলে শুক্রের বিচার তো অবশ্যই করতে হবে, তার সঙ্গে মঙ্গলের বিচার করাও জরুরি। কারণ মঙ্গল কর্মশক্তি ও তেজের গ্রহ। উভয়েরই মঙ্গল কতটা বলবান তা বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। কারণ এক জনের মঙ্গল বলবান এবং অপরের দুর্বল হলে যৌন সম্পর্কে সমস্যা তৈরি হবে। এর ফলে দাম্পত্যজীবনে অশুভ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে।
এই বিষয়ে গণনা খুবই সূক্ষ্ম। প্রয়োজনে বিয়ের আগে অভিজ্ঞ জ্যোতিষীর পরামর্শ নিলে দাম্পত্যজীবন সুখের হবে।