ছবি: সংগৃহীত।
ফুলকপির রান্না হয়তো অনেকবারই করেছেন। কিন্তু তার পরেও নিখুঁত রান্নার নির্ভুল সমীকরণটি স্পষ্ট নয়। আন্দাজেই হয়তো রান্না ভাল হয়ে যায় প্রতিবার। কিংবা কখনওসখনও কপি গলে, পুড়ে, কাঁচা থেকে বিশ্রী কাণ্ড! রান্না জিনিসটি অবশ্যই অঙ্কের ফর্মুলা নয়। তবে কিছু অঙ্ক মিলিয়ে দিতে পারলে ঘেঁটে যাওয়ার বিপদ কেটে যেতে পারে। তেমন ভুলের তালিকা করতে বসলে, তা দীর্ঘ হতে পারে। তবে তার মধ্যেই মূল ৫টি ভুল হচ্ছে কি না খেয়াল করুন।
১। ফুলকপি ভাল ভাবে পরিষ্কার করা সবার আগে জরুরি। রান্না করার আগে ফুলকপি নুন জলে ভিজিয়ে রাখুন। এতে ফুলকপির ফুলে এবং ডাঁটির ভিতরে লুকিয়ে থাকা ব্যাক্টেরিয়া, নোংরা এবং কীটনাশক বা রাসায়নিক সারের অবশিষ্টাংশ থেকে যেতে পারে। থাকতে পারে পোকামাকড়ও। নুন জলে ভিজিয়ে নিলে তা থেকে হজমের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা কমে।
২। ফুলকপি রান্না করার জন্য যখন টুকরো করে কাটা হয়, তখন এক একটি টুকরো এক এক মাপের হলে মুশকিল। কারণ, রান্না করার সময়ে বড় টুকরোগুলি কম সেদ্ধ হবে অথবা গলে যাবে ছোট টুকরো গুলি। উভয় ক্ষেত্রেই রান্নাটি ভাল হবে না শেষ পর্যন্ত।
৩। ফুলকপি গরম প্যানে বা কড়ায় রান্না করার সময় নিজেই জল ছাড়ে। তাই রান্নায় খুব বেশি জল ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। অতিরিক্ত জলে রান্নাটি খুব বেশি ঝোল ঝোল হয়ে গেলে মশলার স্বাদ ভাল ভাবে মিশবে না। ফলে খেতে ভালও লাগবে না।
৪। দীর্ঘ ক্ষণ ধরে ফুলকপি রান্না করার প্রয়োজন নেই। এটি তত ক্ষণই রান্না করুন, যত ক্ষণ না অল্প নরম ভাব আসে। তবে সেই সঙ্গে শক্ত ভাবও থেকে যায়। তার বেশি রান্না করতে গেলেই কপির ফুল ঘেঁটে গিয়ে স্বাদ নষ্ট হতে পারে।
৫। ফুলকপি ভাজার সময়ে শেষের দিকে একটু বেশি আঁচে নাড়াচাড়া করে নিন। তাতে ফুলকপি ভাজা যেমন ভাল হবে, তেমনই এর স্বাদও খুলবে বেশি।