ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।
মুম্বইয়ের উপকূলে ভেসে এল একটি ছোট্ট হাম্পব্যাক তিমির। শনিবার সকালে মুম্বইয়ের বান্দ্রার পাথুরে উপকূলে ভেসে বেড়াতে দেখা যায় স্তন্যপায়ী জলচরটিকে। দ্রুত সেটিকে উদ্ধার করে গভীর সমুদ্রে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়। কিন্তু প্রস্তুতিকালে প্রাণ হারায় প্রাণীটি। সেই ঘটনার ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিশু হাম্পব্যাক তিমিটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ২৬ ফুট লম্বা ছিল। শনিবার সকালে বান্দ্রা-ভরসোভা সি লিঙ্ক প্রকল্পে কর্মরত শ্রমিকরা কার্টার ক্লাবের কাছে তিমি শাবকটিকে প্রথম দেখতে পান। সেই সময় তিমির শাবকটি বেঁচে ছিল। দ্রুত উদ্ধারকার্যের ব্যবস্থা করা হয়। উত্তর কোঙ্কন বিভাগের ম্যানগ্রোভ সেল, বৃহন্মুম্বই পুরসভা, মুম্বইয়ের দমকল বিভাগ এবং পশুচিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের খবর দেওয়া হয়। তাঁরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছোন। শুরু হয় উদ্ধারকাজ। কিন্তু সেই সময় তিমিটি নড়াচ়ড়া বন্ধ করে দেয়। শাবকটিকে পরীক্ষা করে দেখা যায় যে তার দেহে আর প্রাণ নেই। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। তিমি শাবকটির উপকূলে এসে আটকে পড়া এবং মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। বণ্যপ্রাণী সুরক্ষা আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। প্রয়োজনীয় নথিপত্র তৈরি হওয়ার পর তিমি শাবকটির সৎকার সম্পন্ন করা হবে।
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, পাথুরে সৈকতে ছটফট করছে হাম্পব্যাক তিমির শাবক। সেটির দু’পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন দু’জন ব্যক্তি। তাঁরা তিমিটির গতিবিধি দেখার জন্যই সেখানে গিয়েছেন। স্তন্যপায়ী জলচর শাবকটির দেহে আদৌ প্রাণ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখাই ছিল তাঁদের উদ্দেশ্য। ভিডিয়োর পরের অংশে দেখা যায় ক্রেনের মাধ্যমে তিমিটিকে উপরে তোলা হচ্ছে। কিন্তু শাবকটির দেহে কোনও সাড় নেই। দ্রুত উদ্ধারকার্য চালনা করার পরেও তিমি শাবকটিকে বাঁচানো যায়নি। তার মৃতদেহটি সেখান থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়।
‘মুলুন্দনাউ’ নামের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রচুর নেটাগরিকে নজর কেড়েছে ভিডিয়োটি। প্রতিক্রিয়ার ঝড় উঠেছে। মন্তব্যবাক্সে নেটাগরিকেরা তিমি শাবকের মৃত্যু ঘিরে দুঃখপ্রকাশ করেছেন।