Viral Video

‘শ্বশুরবাড়ি গিয়ে কী করবি?’ ইয়ারফোন লাগিয়ে পড়ার ‘দোষে’ কিশোরীকে বকুনি মায়ের, জুটল মারও! ভাইরাল ভিডিয়ো

ঘরের কাজ ছেড়ে বই হাতে তুলে নেওয়াই কাল হল নাবালিকার। তার জন্য শুনতে হল দাদার বকা। গায়ে হাত তুললেন মা। কিশোরীও মায়ের মুখে মুখে উত্তর দিলেন। সেই কারণে মা এবং দাদার রাগ আরও বেড়ে গেল।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ মে ২০২৬ ০৭:৫৭
Share:

ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।

মা কোনও কাজে বাইরে গিয়েছিলেন। সেই সময় কিশোরী কানে ইয়ারফোন গুঁজে বই হাতে পড়ছিলেন। ঘরের কাজ ছেড়ে বই হাতে তুলে নেওয়াই কাল হল নাবালিকার। তার জন্য শুনতে হল দাদার বকা। গায়ে হাত তুললেন মা। কিশোরীও মায়ের মুখে মুখে উত্তর দিলেন। সেই কারণে মা এবং দাদার রাগ আরও বেড়ে গেল। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ঘরে ঢুকে কিশোরীর গালে চড় বসালেন মা। মায়ের পিছন পিছন ঘরে ঢুকল কিশোরীর দাদা। সেই দাদাও গর্জে উঠল কিশোরীর উপর। কারণ, মা অনেক ক্ষণ দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে ডাকাডাকি করলেও কিশোরাী দরজা খোলেনি। নিজেকে বাঁচাতে প্রতিবাদের সুরে হাতে থাকা বই নাড়িয়ে কিশোরী বলল যে সে কানে ইয়ারফোন গুঁজে পড়াশোনা করছিল তাই শুনতে পায়নি। কিন্তু পরিবেশ তাতে ঠান্ডা হল না। উল্টে তিন জনের মধ্যে তুমুল ঝামেলা বেধে গেল। কিশোরীর মা মেয়েকে নিয়ে থাকা একের পর এক অভিযোগ জানাতে লাগলেন। রান্না না করে কিশোরী পড়াশোনা কেন করছে তা নিয়েও রাগ প্রকাশ করলেন তিনি। বললেন, ‘‘শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে কী করবি?’’ তা শুনে কিশোরীও রেগে গেল। সে মায়ের মুখে মুখে তর্ক করা শুরু করল। মা আবারও তার গালে কষিয়ে থাপ্পড় মারলেন। পাশে থেকে কিশোরীর দাদাও তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ জানিয়ে গেলেন। তাঁদের মতে, কিশোরী পড়াশোনার নাম করে তার প্রেমিকের সঙ্গে গল্প করছিল। কিন্তু কিশোরী সেই অভিযোগ স্বীকার করল না। ঝামেলা এতই বেড়ে গেল যে এক পর্যায়ে কিশোরী বইটিকে দেওয়ালে ছুড়ে মারল। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়।

‘ক্রুটস’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। ভাইরাল ভিডিয়োর ক্যাপশনে জানানো হয়েছে কিশোরী ঘণ্টার পর ঘণ্টা প্রেমিকের সঙ্গে কথা বলার কারণে মা-দাদাকে বাড়ির বাইরে রেখেছে। কিন্তু ভিডিয়োয় তেমন কিছু হতে দেখা যায়নি। ইতিমধ্যে ৪৮ হাজারেরও বেশি বার ভিডিয়োটি দেখে ফেলা হয়েছে। প্রচুর নেটাগরিক ভিডিয়োটিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এবং মন্তব্য করেছেন। মন্তব্যবাক্সে নেটাগরিকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। অনেকে মনে করছেন কিশোরীর মায়ের রাগে ভুল কিছু নেই। অনেকে আবার কিশোরীর হয়ে মন্তব্য করেছেন।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement