China Coal Mine Accident

কয়লাখনিতে বিস্ফোরণ, অন্তত ৯০ জন শ্রমিকের মৃত্যু চিনে! কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস জমে গিয়েই ঘটে গেল বিপর্যয়

চিনের সরকারি সংবাদ সংস্থা ‘শিনহুয়া নিউজ এজেন্সি’ জানাচ্ছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ৭টা নাগাদ রাজধানী বেজিং থেকে ৫২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত লিউশেনইউ কয়লাখনিতে দুর্ঘটনা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ মে ২০২৬ ১৩:০৬
Share:

চিনে দুর্ঘটনাগ্রস্ত লিউশেনইউ কয়লাখনি। ছবি: সমাজমাধ্যম থেকে।

আবার দুর্ঘটনা চিনের কয়লাখনিতে। শুক্রবার রাতে কিনইউয়ান কাউন্টির লিউশেনইউ কয়লাখনিতে জমে থাকা গ্যাসে বিস্ফোরণে অন্তত ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে! কয়েক জন খনিশ্রমিক এখনও ভিতরে আটকে পড়ে রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Advertisement

চিনের সরকারি সংবাদ সংস্থা ‘শিনহুয়া নিউজ এজেন্সি’ জানাচ্ছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ৭টা নাগাদ রাজধানী বেজিং থেকে ৫২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত লিউশেনইউ কয়লাখনিতে দুর্ঘটনা। খননকার্য চলাকালীন খনিগর্ভে জমে থাকা কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের মাত্রা আচমকা বেড়ে যায়। যার জেরেই ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকান্ড। বিস্ফোরণের কিছু সময় আগে খনিতে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস বাড়ছে বলে সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। শনিবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপি জানিয়েছে, বিস্ফোরণের সময় খনির ভেতরে মোট ২৪৭ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। এখনও কত জন ভিতরে আটকে রয়েছেন, তা স্পষ্ট ভাবে জানায়নি চিনা প্রেসিডেন্ট শি জ়িনপিঙের সরকার। ফলে মৃতের তালিকা দীর্ঘতর হতে পারে বলেন আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শিনহুয়ায় প্রকাশিত খবরে দাবি, আটকদের উদ্ধারের জন্য যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চলছে। চিনের বিভিন্ন কয়লাখনিতে দুর্ঘটনা এবং মৃত্যু লেগেই থাকে। কমিউনিস্ট পার্টি শাসিত একদলীয় রাষ্ট্রটিতে খনিশ্রমিকদের নিরাপত্তার দিকটি উপেক্ষা করা হয় বলেও দীর্ঘদিনের অভিযোগ। ২০০০ সালে কয়লাখনিতে দুর্ঘটনা কমাতে ‘কঠোর নিয়মকানুন ও নিরাপদ কাজের পদ্ধতি’ চালু করেছিল চিন। কিন্তু তাতে ফল তেমন মেলেনি। প্রসঙ্গত, চিন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনকারী দেশ। গ্রিনহাউস গ্যাসই বায়ুদূষণের মূল কারণ। কার্বন ডাই অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইডের মতো ক্ষতিকর গ্যাস সবচেয়ে বেশি নির্গত হয় চিনের বিভিন্ন কলকারখানা থেকে। বিদ্যুতের জোগানের জন্য চিন কয়লার উপর নির্ভর করে থাকে। বায়ু এবং সৌরশক্তির মতো প্রাকৃতিক উপাদানকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা গেলেও চিনের প্রধান নির্ভরশীলতা সেই কয়লাতেই।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement