ম্যাডক্স স্কোয়ারে ঠাকুর দেখার মাঝেই পেটপুজো নিয়ে চিন্তা? রসনাতৃপ্তি সারুন এখানে
ঠাকুর দেখা নয়, চলে ভরপুর আড্ডা, খাওয়া দাওয়া, অনুষ্ঠান দেখা। কিন্তু এ সবের মাঝেও, মাঠ জুড়ে একাধিক স্টল থাকা সত্বেও কি মনে উঁকি দেয় কোথায় খেতে যাব এর পর? তা হলে চলুন সেটাই জেনে নেওয়া যাক।
পুজোর আড্ডা আর ম্যাডক্স স্কোয়ার অনেকের কাছেই সমার্থক। এখানে কেবল ঠাকুর দেখা নয়, চলে ভরপুর আড্ডা, খাওয়া দাওয়া, অনুষ্ঠান দেখা। কিন্তু এ সবের মাঝেও, মাঠ জুড়ে একাধিক স্টল থাকা সত্বেও কি মনে উঁকি দেয় কোথায় খেতে যাব এর পর? তা হলে চলুন সেটাই জেনে নেওয়া যাক।
ম্যাডক্স স্কোয়ারে আড্ডা দেওয়ার পর ভূরিভোজ সারতে চলে যেতে পারেন ‘চায় ব্রেক জ়াসু’তে। মন ভাল করা পরিবেশের সঙ্গে এখানে পাবেন স্যুপ, স্যান্ডউইচ, কফি, স্যালাড, ইত্যাদি।
ম্যাডক্স স্কোয়ারের কাছেই অবস্থিত ‘ব্লু টোকাই কফি রোস্টার্স’। এই ক্যাফে তুলনায় একটু বেশি ব্যয় সাপেক্ষ। এখানেও স্যালাড, স্যান্ডউইচ, কফি, ইত্যাদি পাওয়া যাবে।
পদ্মপুকুরে অবস্থিত’জয় হিন্দ ধাবা’তেও যেতে পারেন ম্যাডক্স স্কোয়ারে আড্ডা দিয়ে। এখানে মুঘলাই খাবারের পাশাপাশি চাইনিজ, পাঞ্জাবি খাবার, ইত্যাদি সবই পাওয়া যায়।
‘দ্য নিরো ক্যাফে অ্যান্ড রেস্তোরাঁ’ বালিগঞ্জে অবস্থিত। দু’জনের পেটপুজোর জন্য এখানে ১০০০ টাকা যথেষ্ট।
আরও পড়ুন:
পদ্মপুকুরের ‘ডনটাউন ক্যাফে’তেও ১০০০ টাকার মধ্যে দু’জনের ভূরিভোজ হয়ে যাবে। স্যুপ, নুডুলস, কফি, চা সহ নানা ধরনের খাবার পাবেন এখানে।
রোল খেতে চাইলে চলে যেতে পারেন দেশপ্রিয় পার্কের কাছে অবস্থিত ‘জ়িশান’-এ।
দেশপ্রিয় পার্কের কাছে অবস্থিত ‘ঔধ ১৫৯০’ আপনার অন্যতম গন্তব্য হতে পারে। মুঘলাই খাবার পছন্দ করলে এখানে আসতেই পারেন।
বালিগঞ্জের ‘আজাদ হিন্দ হোটেল’-এ কাবাব, পাঞ্জাবি এবং মুঘলাই খাবার পাবেন। সস্তায় ভাল খাবারের অন্যতম ঠিকানা এটি। (‘আনন্দ উৎসব ২০২৫’-এর সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছেন একাধিক সহযোগী। প্রেজ়েন্টিং পার্টনার ‘মারুতি সুজ়ুকি অ্যারেনা’। অন্যান্য সহযোগীরা হলেন ওয়েডিং পার্টনার ‘এবিপি ওয়ানস্টপ ওয়েডিং’, ফ্যাশন পার্টনার ‘কসমো বাজ়ার’, নলেজ পার্টনার ‘টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি’, ব্যাঙ্কিং পার্টনার ‘ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া’, কমফোর্ট পার্টনার ‘কার্লন’।) (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)