চন্দননগরে ঠাকুর দেখতে গিয়ে এখানকার বিখ্যাত মিষ্টিগুলি যেন বাদ না যায়!
চেখে নিন চন্দননগরের কিছু বিখ্যাত দোকানের মিষ্টি, যা খাওয়ার পরে বাড়ির জন্য এক বাক্স নিয়ে আসতেও মন চাইবে নির্ঘাত।
জগদ্ধাত্রী পুজো মানেই চন্দননগর উঠে আসবে চর্চায়। এখানকার বিখ্যাত আলোর কারুকাজ আকর্ষণ করে বহু মানুষকে।
প্রতি বছর এই পুজো দেখতে লক্ষ লক্ষ মানুষের জনসমাগম হয় এখানে। এ বার কি আপনিও যাওয়ার কথা ভাবছেন?
যদি পরিকল্পনা করে থাকেন, তা হলে শুধু ঠাকুর ও আলো কেন দেখবেন! সঙ্গে চেখে নিন চন্দননগরের কিছু বিখ্যাত দোকানের মিষ্টি, যা খাওয়ার পরে বাড়ির জন্য এক বাক্স নিয়ে আসতেও মন চাইবে নির্ঘাত। রইল এমনই কিছু দোকানের তালিকা:
সূর্যকুমার মোদক: চন্দননগর মানে যেমন আলো বোঝায়, ঠিক তেমনই যাঁরা মিষ্টি খেতে ভালবাসেন, তাঁরা জানেন, চন্দননগর মানেই সূর্যকুমার মোদকের বিখ্যাত জলভরা সন্দেশ! প্রায় ২০০ বছর আগে ১৮১৮ সালে ভদ্রেশ্বরের জমিদারের তাঁকে অনুরোধ করেন এমন এক মিষ্টি বানাতে, যা চমকে দেবে তাঁর জামাইদের!
এর পরেই জন্ম জলভরা সন্দেশের। কড়া পাকের সন্দেশের মধ্যে গোলাপ জল এবং তরল খেজুর গুড়ের মিশ্রণ দিয়ে তৈরি হল সেই সন্দেশ, মিষ্টিপ্রেমীদের অনেকের কাছেই যা আজ অমৃতসমান! এ ছাড়াও খেয়ে দেখতে পারেন পাতুরি এবং বেকড্ রসমাধুরী।
আরও পড়ুন:
মৃত্যুঞ্জয় সুইট্স: আর একটি বিখ্যাত মিষ্টির দোকান মৃত্যুঞ্জয় সুইট্স। এই দোকানের বয়স ৫০ বছরের বেশি। এখানে গেলে অবশ্যই স্বাদ নিন লট চমচম এবং ক্রিম চপের।
শুধু কি মিষ্টি! বিখ্যাত এখানকার মিষ্টি দইও, যার স্বাদ লেগে থাকবে আপনার জিভে।
বাবা পঞ্চানন মিষ্টান্ন ভাণ্ডার: জিভে জল আনা ল্যাংচার জন্য বিখ্যাত এই দোকানটি। এ ছাড়াও বিভিন্ন রকমের সন্দেশ, মৌচাক, পট্টি রোল ইত্যাদি মিষ্টির স্বাদও খুব ভাল।
হরি গোপাল নন্দী অ্যান্ড সন্স: ১৯২০ সালে হরি গোপাল নন্দী আবিষ্কার করেন গোলাপি প্যাঁড়া। এ ছাড়াও তিনি প্রাণহরা, সরের নাড়ু, ছানার মুড়কি এবং নোনতা গজার সঙ্গেও মিষ্টিপ্রেমীদের পরিচয় করান। এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।