এনসিএলএটি-তে অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের বকেয়া মেটানোর মামলায় থমকেছে বার্ন স্ট্যান্ডার্ড গোটানোর প্রক্রিয়া। মে মাসে আপিল আদালতটি বলেছে, তাদের অনুমতি ছাড়া বার্ন বন্ধের পরিকল্পনা কার্যকর করা যাবে না। এ বার গোটানোর পরিকল্পনা দেউলিয়া আইন মেনে হয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানাল তারা। বলল, তাদের সায় ছাড়া পাওনাদারদের টাকা মেটানো যাবে না। নির্দেশ দিল, রেলকে মামলার শরিক করতেও। বার্ন এখন যাদের হাতে।

বার্ন গোটানোর জন্য বর্তমান কর্মী-অফিসারদের বকেয়া মেটাতে ৩৪ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়। কিন্তু অবসরপ্রাপ্তদের দাবি, তাঁদের বকেয়া চোকাতে আরও অনেক বেশি লাগবে। সংস্থা সূত্রের খবর, এক্স-এমপ্লয়িজ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন এ জন্য রিজলিউশন অফিসারের কাছে ৪৮০ কোটির দাবি করে। কিন্তু তা খারিজ হয়। এর বিরুদ্ধেই আপিল আদালতে যায় তারা। মামলা করে এক্স-অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনও।

অল ইন্ডিয়া ফেডারেশন অব বার্ন স্ট্যান্ডার্ড অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের  প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক অনুতোষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, ‘‘বার্ন কেন্দ্রের হাতে। তাই বকেয়া মেটানোর দায়িত্ব তাদেরই।’’ আদালতের নির্দেশে কর্মীদের আশা, এ যাত্রা সংস্থা বন্ধ না-ও হতে পারে। তৃণমূল সমর্থিত ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের কার্যকরী সভাপতি গোপাল ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘জোর করে সংস্থা বন্ধ করছে কেন্দ্র। আদালতের সিদ্ধান্ত স্বাগত।’’