বিভিন্ন মহল থেকে কর-সন্ত্রাসের অভিযোগ ওঠায় বাজেটে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছিলেন, রিটার্ন যাচাই-সহ পরবর্তী পদক্ষেপগুলিতে যাতে করদাতা এবং অফিসারদের মুখোমুখি হতে না হয়, তার ব্যবস্থা করবে কেন্দ্র। সম্প্রতি কয়েকটি অঞ্চলে নতুন ব্যবস্থা চালু হয়েছে। কিন্তু এই নতুন পদ্ধতি নিয়ে এ বার আপত্তি তুললেন আয়কর অফিসার এবং কর্মীরা। সম্প্রতি প্রত্যক্ষ কর পর্ষদকে (সিবিডিটি) চিঠি দিয়ে ইনকাম ট্যাক্স এমপ্লয়িজ ফেডারেশন এবং ইনকাম ট্যাক্স গেজেটেড অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, পরিচয়হীন কর যাচাইয়ের পদ্ধতি রূপায়ণের আগে সমস্ত পক্ষের সঙ্গে যথেষ্ট আলোচনা করেনি সরকার। নেই প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো। সিবিডিটি অবশ্য এই আপত্তির বিষয় নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানায়নি। 

আয়কর বিভাগের ইউনিয়নের বক্তব্য, অর্থবর্ষের ছ’মাস পার হয়ে গেলেও এখনও পর্ষদ কর সংগ্রহ প্রত্যাশিত জায়গায় পৌঁছয়নি। এই পরিস্থিতিতে কর যাচাইয়ের পদ্ধতি চালু হওয়ার ফলে আদতে ঝুঁকি আরও বেড়ে গেল। লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছনোও হয়ে গেল কঠিন। 

এর পাশাপাশি, রিটার্নে অসঙ্গতি খতিয়ে দেখে করদাতাকে নোটিস পাঠানোর দায়িত্ব পড়েছে নবগঠিত ই-অ্যাসেসমেন্ট কেন্দ্রের কাঁধে। অফিসারদের একাংশের বক্তব্য, সেখানে অনেক কর্মী বদলি হয়ে যাওয়ার ফলে পুরোনো দফতরগুলিতে লোকের অভাব তৈরি হয়েছে। ফলে কাজের চাপও বেড়েছে। যন্ত্রপাতির অভাব তো রয়েছেই।