নভেম্বরে ইরানের উপরে নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে আমেরিকা। মে-র শুরুতে তেহরানের তেল আমদানিতে ভারত-সহ আট দেশকে দেওয়া ছাড়ও তুলেছে তারা। এই অবস্থায় ইরান চেন্নাই পেট্রোলিয়ামের সংশোধনাগারে নতুন লগ্নির প্রস্তাব দিলে, নিষেধাজ্ঞার সব দিক খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানালেন ইন্ডিয়ান অয়েলের (আইওসি) চেয়ারম্যান সঞ্জীব সিংহ। এখন আইওসি-র শাখাটিতে ১৫.৪% অংশীদারি রয়েছে ন্যাশনাল ইরানিয়ান অয়েলের। তবে কয়েক বছর আগের সেই লগ্নির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার প্রভাব পড়বে না বলেই জানিয়েছেন তিনি।

প্রায় ৩৫,৭০০ কোটি টাকা লগ্নি করে চেন্নাই পেট্রোর নাগাপট্টিনাম তেল শোধনাগার ঢেলে সাজাতে চায় ইন্ডিয়ান অয়েল। লক্ষ্য, শোধন ক্ষমতা ৯০ লক্ষ টনে নিয়ে যাওয়া। সিংহ জানান, ইরানের সংস্থাটিও সম্প্রসারণে অংশ নিতে আগ্রহী। কিন্তু সে ক্ষেত্রে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কী প্রভাব সেই লগ্নিতে পড়বে, তা-ই খতিয়ে দেখতে হবে বলে তাঁর দাবি।

নিষেধাজ্ঞা পুরো কার্যকর হওয়ার আগে টাকায় ভারতে ইরানের তেল রফতানির অর্থ মেটাত নয়াদিল্লি। তেহরান চাইলে ভারত থেকে পণ্য আমদানির খরচ ওই অর্থ দিয়েই মেটাতে পারত বা এখানকার প্রকল্পে লগ্নি করতে পারত। এখনও তারা লগ্নি করতে পারবে কি না, তা-ই দেখবে ইন্ডিয়ান অয়েল।