Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২০ জানুয়ারি ২০২২ ই-পেপার

Petrol price: ব্রেন্ট কমলেও কমছে না পেট্রল

সংবাদ সংস্থা
নয়াদিল্লি ২৯ নভেম্বর ২০২১ ০৭:৫৩
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

করোনার নতুন স্ট্রেনের ভয়ে গত বৃহস্পতিবার থেকে এখনও পর্যন্ত ব্যারেল প্রতি প্রায় ১০ ডলার পড়েছে অশোধিত তেলের (ব্রেন্ট ক্রুড) দাম। ফলে দেশের মানুষের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে, এ বার কি তবে আরও কিছুটা কমবে পেট্রল-ডিজ়েলের খুচরো দর? সংশ্লিষ্ট সূত্রের কিন্তু বক্তব্য, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমলে সঙ্গে সঙ্গে দেশেও তার প্রতিফলন ঘটবে, এমন ধারণা ঠিক নয়। কারণ, তেলের দৈনিক খুচরো দর বাজার নিয়ন্ত্রিত হলেও তা নির্ধারণ করা হয় বিশ্ব বাজারে আগের ১৫ দিনের গড় দামের ভিত্তিতে। ফলে অশোধিত তেলের দাম টানা কয়েক দিন মাথা নামানো থাকলে তবেই তার সুফল পেতে পারেন দেশের মানুষ।

তবে এই প্রেক্ষিতেও উঠে এসেছে পুরনো অভিযোগ— বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের দাম কমার প্রভাব যতটা দেরিতে দেশের বাজারে পড়তে দেখা যায়, দাম বৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রভাব পড়ে তার চেয়ে তাড়াতাড়ি।

দীপাবলির ঠিক আগে পেট্রল ও ডিজ়েলের উৎপাদন শুল্ক লিটার প্রতি যথাক্রমে ৫ টাকা ও ১০ টাকা কমিয়েছিল কেন্দ্র। তার ফলে এক ধাক্কায় সেগুলির খুচরো দর খানিকটা কমেছিল। তারপর ৫ নভেম্বর থেকে টানা অপরিবর্তিত রয়েছে সেগুলির দর। ওই সময়ে বিশ্ব বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দামও ঘোরাফেরা করেছে মোটামুটি ৮০-৮২ ডলারের মধ্যে। কিন্তু আফ্রিকায় করোনাভাইরাসের নতুন স্ট্রেন ধরা পড়তেই অর্থনীতিতে তার বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কায় বৃহস্পতিবার সেই দাম ৭৬ ডলারে নেমে আসে। আগাম লেনদেনের বাজারে তেল বেশি বিক্রি হওয়ায় রবিবার রাতে আরও কমে তা ছিল ৭২ ডলারের আশেপাশে। ডব্লিউটিআই ক্রুড ৬৮ ডলারের কাছে। এর পর বিভিন্ন মহল বলতে শুরু করেছে, গত সাত বছরে তেলের উৎপাদন শুল্ক যে ভাবে বাড়ানো হয়েছে, দীপাবলির আগে তা কমানো হয়েছে যৎসামান্য। এ বার বিশ্ব বাজারে দর কমার সুফল সাধারণ মানুষকে দেওয়া হোক।

Advertisement

সংশ্লিষ্ট মহলের একটি সূত্রের বক্তব্য, ‘‘বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের দাম কমার ফলে দেশের বাজারেও জ্বালানির দাম কমার একটা স্বাভাবিক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। কিন্তু ওই ভাবে তেলের দাম ঠিক হয় না।... এখন যে জায়গায় দাম নেমে এসেছে যদি তা কয়েক দিন বজায় থাকে, তবেই পেট্রল-ডিজ়েলের দাম কমতে পারে।’’ তিনি জানান, দেশের বাজারে তেলের দামের অস্থিরতা কমাতেই ১৫ দিনের গড়ের ভিত্তিতে দর ঠিক করা হয়। সেই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করিয়ে দিয়েছে, আমেরিকা, ভারত, চিন, জাপান, ব্রিটেনের মজুত তেল ছাড়ার সিদ্ধান্তের কোনও প্রভাব কিন্তু বাজারে এখনও পর্যন্ত পড়েনি। এর প্রেক্ষিতে ওপেক গোষ্ঠী কী পদক্ষেপ করে সে দিকেও বাজার তাকিয়ে রয়েছে।

আরও পড়ুন

Advertisement