দুষ্কৃতীরা অটো ভাঙচুর করায় প্রতিবাদে পরিষেবা বন্ধ রাখলেন অটোচালকেরা। 

পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার রাতে চিৎপুর থানা এলাকার খগেন চ্যাটার্জি রোডে তিনটি অটো ভাঙচুর করে দুষ্কৃতীরা। প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল থেকে চিড়িয়ামোড়-কাশীপুর ৪বি স্ট্যান্ড এবং খগেন চ্যাটার্জি রোড-ফেরিঘাটের রুটের অটো বন্ধ করে দেন চালকেরা। যার জেরে সমস্যায় পড়েন নিত্যযাত্রীরা। কাশীপুরের একটি কলেজে বিএড পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে ভোগান্তিতে পড়েন পরীক্ষার্থীরা। পুলিশের হস্তক্ষেপে অবশ্য দুপুরের পরে ওই রুটে অটো চলাচল স্বাভাবিক হয়। পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার রাতের ওই গোলমালের পিছনে রয়েছে খগেন চ্যাটার্জি রোডের স্থানীয় দুই গোষ্ঠীর বিবাদ। মঙ্গলবার অটোচালকদের তরফে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে চিৎপুর থানায়।

তাঁরা জানান, রবিবার রাতে খগেন চ্যাটার্জি রোডের রাজাবাগানের কাছে এক অটোচালকের সঙ্গে বচসা হয় এক অ্যাপ-ক্যাব চালকের। গাড়ি দাঁড় করানো নিয়ে দু’জনের মধ্যে বিবাদ বাধে। উভয় পক্ষই কাশীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অটোচালকদের অভিযোগ, ওই ঘটনার পরে সোমবার রাত ন’টা নাগাদ আচমকাই তিনটি অটো ভাঙচুর করে রাজাবাগান এলাকার কয়েক জন। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে মঙ্গলবার সকালে রাস্তায় নামেন দু’টি রুটের অটোর চালকেরা। বন্ধ করে দেওয়া হয় অটো চলাচল। 

এ দিন চিড়িয়ামোড়ে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার এক পাশে ভাঙা অটো দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। অটোচালকদের সংগঠনের তরফে শেখ সরফুর দাবি, এলাকার কয়েক জন ওই ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত। 

অন্য দিকে, অটো বন্ধ থাকায় ক্ষুব্ধ যাত্রীরা। তাঁরা জানান, নির্দিষ্ট দু’টি রুটের বাস ছাড়া ওই রাস্তায় অটোই ভরসা। কাশীপুরের একটি কলেজের বিএডের ছাত্রী ঈশিতা সরকারের এ দিন পরীক্ষা ছিল। কিন্তু অটো না চলায় বিপাকে পড়েন তিনি। পরে অবশ্য অটোচালকেরাই বাসে করে পরীক্ষাথী এবং অন্য যাত্রীদের পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।