• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

অন্তঃসত্ত্বার রক্তাক্ত দেহ

Puja jain
পূজা জৈন

Advertisement

বোনকে খুঁজে না পেয়ে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেছিলেন দুই দিদি। ফোনেও পাওয়া যাচ্ছিল না তাঁকে। হঠাৎই তাঁরা দেখেন, ঘরের খাটের তলায় বিছানার মতো কী যেন রাখা! সেটা টেনে বার করতেই মিলল অন্তঃসত্ত্বা বোনের রক্তাক্ত দেহ। শুক্রবার ফুলবাগান থানা এলাকার ঘটনা। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতার নাম পূজা জৈন (৩৬)।  

পুলিশ সূত্রের খবর, ১৩২/২/৭ নারকেলডাঙা মেন রোডে ভাড়া থাকেন ভগবতীপ্রসাদ গুপ্ত। তাঁর তিন মেয়ে। ছোট দুই মেয়েই বিবাহিতা। ছোট মেয়ে, পূজা বাপের বাড়িতেই থাকতেন। মাঝেমধ্যে হাওড়ার মল্লিকফটকে শ্বশুরবাড়ি যেতেন তিনি। মেজ মেয়ে সব সময়ে ওই বাড়িতে না থাকলেও, বড় মেয়ে বাবা ও বোনের সঙ্গেই থাকতেন। 

পূজার বাপের বাড়ির লোকেরা যেখানে ভাড়া থাকেন, সেই বাড়ির মালিক ও পড়শিরা জানান, কয়েক দিন আগে ভগবতীপ্রসাদ অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁকে নার্সিংহোমে ভর্তি করাতে হয়। পূজা আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। পুলিশ জেনেছে, বৃহস্পতিবার রাতে পূজার মেজ দিদি এবং বড় দিদি বাড়ির বাইরে ছিলেন। পূজাকে বারবার মোবাইলে ফোন করেন তাঁরা। প্রথমে ফোনটি ধরেন পূজার স্বামী দীপক জৈন। কিন্তু তার পরে থেকে কেউ আর ফোন তোলেননি। এর পরেই শুক্রবার তাঁরা ফুলবাগান থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এর পরে বাড়ি ফিরেই উদ্ধার হয় বোনের দেহ। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ এবং লালবাজারের হোমিসাইড বিভাগের অফিসারেরা। পুলিশ জানিয়েছে, পূজার কপালে একটি গভীর কালশিটে মিলেছে। দেহটি ময়না-তদন্তে পাঠানো হয়েছে।  

এ দিকে, বৃহস্পতিবার রাতে দীপক বাড়ি না ফেরায় পূজার শ্বশুরবাড়ির লোকজন হাওড়া থানায় ওই যুবকের নামেও নিখোঁজ ডায়েরি করেন। কারণ, খোঁজ করতে গিয়ে দেখা যায় দীপকের মোবাইলও বন্ধ।  এ দিন ফুলবাগান থানা থেকে দীপকের বাবা এবং দাদাকে ডেকে জিজ্ঞাসবাদ শুরু করেছে পুলিশ। কিন্তু কী কারণে এই মৃত্যু, দীপককে খুঁজে পেলেই জানা যাবে বলে ধারণা পুলিশের। 

শুক্রবার বিকেলে পূজাদের ভাড়া বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তাঁদের দরজা খোলা থাকলেও বাইরের গ্রিলের গেটে তালা ঝুলছে। ভিতরে পূজার পোষ্য একটি কুকুর ঘুরে বেড়াচ্ছে। পড়শিরা জানালেন, মোবাইলে কথা বলতে বলতে পোষ্যকে নিয়ে মাঝেমাঝেই ঘুরতে দেখা যেত পূজাকে। 

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন