শিয়ালদহ উড়ালপুলের স্বাস্থ্যের হাল ভাল নয়। ওই সেতুর মেরামতি করা প্রয়োজন। সম্প্রতি ‘কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি’ (কেএমডিএ) ওই উড়ালপুল সম্পর্কে এমনই রিপোর্ট দিয়েছে।

মঙ্গলবার পুরভবনে এ কথা জানিয়ে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘‘পুরনো সেতুর ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ একটি সংস্থাকে ওই উড়ালপুলের স্বাস্থ্যের হাল খতিয়ে দেখার দায়িত্ব দিয়েছিল কেএমডিএ। তাদের প্রাথমিক রিপোর্ট জমা পড়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ওই উড়ালপুলের সংস্কার করা দরকার। তবে কী ভাবে এবং কোন কোন অংশে তা করতে হবে, সে ব্যাপারে একটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট ওদের দিতে বলা হয়েছে। তার পরেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।’’ এ দিনই ওই উড়ালপুলের বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও জানানো হয়েছে। ফিরহাদ জানান, রাজ্যের মুখ্যসচিবকে বিষয়টি দেখার কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

শিয়ালদহ উড়ালপুল কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত রাস্তা। আশির দশকে সেটি তৈরি করেছিল কেএমডিএ। নাম দেওয়া হয় ‘বিদ্যাপতি সেতু’। যদিও লোকমুখে তা শিয়ালদহ উড়ালপুল বলেই বেশি পরিচিত। 

দিল্লি দখলের লড়াইলোকসভা নির্বাচন ২০১৯ 

এই উড়ালপুলের নীচের গোটা অংশটাই হকারদের স্টলে ভর্তি। যে কারণে বছরখানেক আগে ওই সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে গিয়ে বেগ পেতে হয়েছিল বিশেষজ্ঞ সংস্থাকে। যে আধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়, সেটি সেখানে ঢোকানোই যায়নি বলে অভিযোগ ওঠে। মন্ত্রী ফিরহাদ এ দিন বলেন, ‘‘আগামী জুলাই মাস নাগাদ ওই সেতু সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পাওয়া যাবে। তার পরেই টেন্ডারের মাধ্যমে ওই কাজের বরাত দেওয়া হবে।’’ কাজের জন্য সাময়িক ভাবে কোনও দোকান সরাতে হলে তা জানানো হবে মালিককে। মন্ত্রীর আশা, গুরুত্বপূর্ণ ওই সেতুর সংস্কারে সকলেই সহযোগিতা করবেন।